Press "Enter" to skip to content

দমদম বিস্ফোরণে নতুন মোড়! দমদমে ডেরা করেছিল বাংলাদেশি আল কায়দার জঙ্গিরা!

পুলিশের গোয়েন্দারা এক বছর আগেই সতর্ক করে দিয়েছিল যে, থেকে কামারহাটি জায়গাটুকুর মধ্যে জঙ্গিরা তাদের ডেরা তৈরির চেষ্টা করছে। তারপরও হল এই বিস্ফোরণ। তাই এবার রহস্য দানা বেধেঁছ যে এই বিস্ফোরনের পিছনে কাদের হাত রয়েছে সেটা নিয়ে। পুলিশ জানিয়েছেন যে, এটি হল ‘লো ইনটেনসিটি ব্লাস্ট’ অর্থাৎ কম প্রাবল্যের বিস্ফোরণ। এই বিস্ফোরনের ফলে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন যে, জঙ্গিরা এই রকম কম প্রাবল্যের বিস্ফোরণ এর আগেও অনেকবার দেশের নানান জায়গায় ঘটিয়েছে। এই রকম কম প্রবাল্যের বিস্ফোরনের ফলে মৃত্যু সংখ্যা কম হলেও আহত হয় বহু মানুষ। ফলে মানুষের মধ্যে সহজেই আতঙ্কের সৃস্টি করা যায়।

অনেকে কাজিপাড়ার বিস্ফোরণকে সামান্য ঘটনা বলেই ধরে নিচ্ছে। কিন্তু যে যায় দাবি করুক, এই বিস্ফোরনের জোর এতটাই বেশি ছিল যে, শাটারের নীচে থাকা লোহাদন্ডটি ধনুকের ন্যায় বেঁকে গিয়েছে। বোমা ফাটার ফলে গর্ত হয়ে গিয়েছে সেই জায়গাটা। এমনকি কম্পনে ফলে পাশে অবস্থিত বাড়ির পাঁচতলার জানালার কাচও ভেঙে পড়েছে।

কান্ড

বাংলাদেশের গোষ্ঠী আল কায়দার জঙ্গিরা আগের বছর নভেম্বর মাসে এই দমদমেই ডেরা বেঁধেছিল। সেইসময় আল কায়দার দুই নেতা রিয়াজুল ইসলাম ও সামশাদ মিয়া ধারা পরে যায় গোয়েন্দাদের কাছে। তখনই তারা স্বীকার করেছিল তাদের ডেরার কথা গোয়েন্দাদের সামনে। সেই সাথে তারা এটাও বলেছিল যে, গ্লিসারিন, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, পটাসিয়াম ক্লোরেট বা সালফারের মত যৌগ যেগুলি খুব সহজেই পাওয়া যায় সেগুলি দিয়েই তারা সেই সমস্ত ডেরায় বিস্ফোরক তৈরি করে। এবং বিস্ফোরনের সমস্ত ছকও সেখানেই ঠিক করা হয়।

দমদম বিস্ফোরণ

দমদমে মঙ্গলবার ঘটে যাওয়া এই বিস্ফোরনেও এই সমস্তরকম যৌগ গুলি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছেন যে, ঘটনাস্থলের সামনেই রয়েছে ভুটান দূতাবাস। এছাড়াও এই এলাকাতেই থাকেন বাংলাদেশ দূতাবাসের কয়েকজন আধিকারিক। তাই পুলিশ এটাই খতিয়ে দেখছেন যে কোনোভাবেই কি তাদের প্রভাবিত করবার জন্য জঙ্গিরা এই স্থানটি বেঁছে নিয়েছে।

#অগ্নিপুত্র