Press "Enter" to skip to content

চীনকে বড়ো ঝটকা দিল মোদী সরকার!  শিক্ষাক্ষেত্রে চীনের অবৈধ প্রবেশের উপর লাগানো হলো লাগাম।

কিছুদিনের মধ্যে চীনের রাষ্ট্রপতি ভারত সফরে আসতে পারেন। তার আগে চীনকে বড়ো ঝটকা দিল ভারত । আসলে আগত সময়ে চীন ভারতের জন্য একটা বড়ো বিপদ হয়ে সামনে আসতে পারে। যার জন্য চীনের প্রতি ভারতের নজরকে কড়া করতে শুরু করেছে ভারত সরকার। জানিয়ে দি, চীন ভারতের ব্যাবসা বাণিজ্য, শিক্ষা সবক্ষেত্রে প্রবেশ করার ভরপুর প্রয়াস করছে। আগামী ৩০ বছরের মধ্যে বিশ্বের আর্থিক শক্তি পশ্চিম থেকে পূর্বের দিকে চলে আসবে। তাই সেই সময়ে শক্তি চীনও ভারতের হাতে থাকার সম্ভবনা দেখা যাচ্ছে। সেই দিকে লক্ষ রেখে চীন এখন থেকেই ভারতকে ঘিরে ফেলে নিজের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

২০০৬ সালে ের এক চুক্তি হয়েছিল সেই অনুযায়ী, ভারতের শিক্ষা সংস্থান গুলি চীনের শিক্ষা সংস্থানের সাথে হাত মেলাতে পারবে। এই চুক্তি শুনতে ভালো মনে হলেও, দেশের জন্য খুবই বিপদজনক প্রমাণিত হতে পারে। কারন এর মাধ্যমে চীন ভারতীয়দের মানসিকতা চীনের প্রতি করে নেওয়ার ষড়যন্ত্র চালাতে পারে। কারণ শিক্ষা সমাজের ওপর বড়ো প্রভাব বিস্তার করে। উদাহরণসরূপ ইংরেজের ভারতের গুরুকুল শিক্ষাকে উপড়ে ফেলে নিজেদের শিক্ষা চালু করেছিল। ভারতে এমন শিক্ষা দেওয়া যাতে ভারতীয়রা নিজেদের সংস্কৃতিকে খারাপ ও ইংরেজদের মহান মনে করে।

 

এর একটা বড়ো উদাহরণ হলো সতীদাহ প্রথা নিয়ে ইতিহাসে মিথ্যা পোড়ানো। ভারতের সতী প্রথাকে সতীদাহ বলে পড়ানো হয়। এর ফলে অনেক ভারতীয় মনে করে যে, আমাদের পূর্বপুরুষ বিধবা মহিলাদের আগুনে পুড়িয়ে মারতো। কিন্তু আসল সত্য হলো ভারতে সতীদাহ বলে কিছু ছিল না।ভারতে সতী প্রথা ছিল যা আজও অনেক জায়গায় রয়েছে। আজও ইতিহাস বইতে সতীদাহ প্রথা পড়িয়ে ভারতীয়দের ব্রেনওয়াশ করা হয়। বর্তমানেরও অনেক ইতিহাসবিদ এটা বলেছেন যে সতীদাহ প্রথার মুছে দেওয়া হয়েছে বলে যেটা পড়ানো হয় তার পুরোটাই ইংরেজদের এজেন্ডা।এইভাবে চীনও তার এজেন্ডা ভারতে চালানোর পরিকল্পনা করতে পারে। যার জন্য সরকার ওই চুক্তির উপর বড়ো সিধান্ত নিয়েছে।

এবার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভারতের কোনো শিক্ষাকেন্দ্র যদি চীনের সংস্থার সাথে হাত মেলায় তবে তার আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও বিদেশমন্ত্রকের থেকে অনুমতি নিতে হবে। ভারতের JNU ও দিল্লির মতো ইউনিভার্সিটি চীনের সংস্থার সাথে হাত মিলিয়ে চিনি শিক্ষাকে ভারতে প্রচার করছিল। এবার সেই ট্রেন্ডের উপর লাগাম লাগানো হবে। যারা আগে থেকেই চীনের সংস্থার সাথে হাত মিলিয়ে নিয়েছে তাদেরও কোনো কাজ শুরু করার আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের থেকে অনুমতি নিতে হবে।