Press "Enter" to skip to content

“যতদিন উত্তরপ্রদেশে অপরাধ থাকবে ততদিন এনকাউন্টার থাকবে”- যোগী আদিত্যানাথ।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি দেশের সবথেকে বড়ো রাজ্য ে জয়লাভ করার পর আদিত্যানাথকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সমাজবাদী পার্টি(সপা) ও বহুজন সমাজবাদী পার্টি(বসপা)! বহু বছর ধরে ে শাসন চালানোর সময় রাজ্যকে কট্টরপন্থী ও গুন্ডাদের আস্তানা বানিয়ে তুলেছিল। দিনের বেলা খুন হত্যা, বোমা ছোঁড়া এইসকল খুবই সাধারণ ঘটনা ছিল। তাই উত্তরপ্রদেশকে উত্তমপ্রদেশে পরিণত করার দায়িত্ব দেওয়া হয় যোগী আদিত্যনাথকে। যোগী ক্ষমতায় আসার পরই পুলিশ ব্যাবস্থাকে কড়া করে তুলে এবং গুন্ডাদের এনকাউন্টার করতে শুরু করে। যারপর তথাকথিত মানবাধিকাররা যোগী ের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। আপনাদের জানিয়ে দি, ে যত গুন্ডা, মাফিয়া রয়েছে এরা সকলেই অখিলেশ যাদবের পার্টি সপা অথবা মায়াবতীর পার্টি বসপার কার্যকর্তা।

আপনাদের এটাও জানিয়ে দি যে তিন মুসলিম ভাই সেলিম, ওয়াসিম ও নাসিম মিলে চন্দন গুপ্তার হত্যা করেছিল তারাও সপার কার্যকর্তা ছিল। এখন যোগী রাজে সপা বসপার গুন্ডারা এনকাউন্টারে শেষ হচ্ছে তাতে স্বাভাবিক ভাবেই শোকের ছায়া পার্টির উপর দেখা যাচ্ছে। সপার গুন্ডা সংখ্যা বসপার গুন্ডা থেকে বেশি তাই সপা বসপার থেকে বেশি চিন্তায় পড়েছে। কারণ এখন যদি এদের সমস্থ গুন্ডা, মাফিয়া শেষ হয়ে যায় তাহলে তোলাবাজি করে পার্টি ফান্ড এ টাকা বজায় কে রাখবে! সাধারণ মানুষ তো এই পার্টিরদের টাকা দেয় না। সমস্থটাই গুন্ডা ও মাফিয়াদের টাকায় চলে।

এক এক করে এদেরকে যমলোকে পাঠাচ্ছেন। এইভাবে চলতে থাকলে পার্টি দপ্তরগুলিতে তালা ঝোলাতে হতে পারে। তাই মানবাধিকার আয়োগ গুন্ডাদের অধিকারের পক্ষ নিয়ে এনকাউন্টার বন্ধ করার দাবি জানায়। একই সাথে সপা বসপা মিলে যোগী আদিত্যানাথকে এনকাউন্টার বন্ধের দাবি জানায়। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, মানবাধিকার আয়োগ সাধারণ মানুষের অধিকারের দাবির জন্য মুখ না খুললেও অপরাধী, কট্টরপন্থী ও পাথরবাজদের হয়ে অবশ্যই মুখ খোলে।

সম্প্রতি যোগী আদিত্যানাথ গোরক্ষপুর গিয়ে মানবাধিকার আয়োগকে এমন কড়া জবাব দেন যা সপা বসপা নেতাদের মুখে ঝামা ঘষে দেয়।যোগী আদিত্যানাথ কথার মাধ্যমে ঠিক একইভাবে এনকাউন্টার করেন যেমনটা উনি গুন্ডা ও মাফিয়াদের করছেন। যোগী আদিত্যানাথ নিজের নিশ্চুপতা ভেঙে বলেন, যে ব্যাক্তি প্রদেশে বন্ধুকের ভাষা বুঝবে তাদেরকে বন্ধুকের ভাষাতেই বোঝানো হবে এবং অপরাধীদের এনকাউন্টার জারি থাকবে। যে যত প্রতিবাদ করতে পারে করুক, কিন্তু যতদিন অপরাধ থাকবে ততদিন এনকাউন্টার জারি থাকবে। জানিয়ে দি, যোগী আদিত্যনাথ শাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকে কয়েক হাজার এনকাউন্টার করে ফেলছেন। অর্থাৎ যোগী আদিত্যানাথ এটা নিশ্চিত করে দেন যে কোনো কট্টরপন্থী বা মাফিয়া গুন্ডা প্রদেশের পরিবেশ খারাপ করলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।