Press "Enter" to skip to content

গুন্ডারাজের অবসান ঘটিয়ে রামরাজ্যের সূচনা! ১৬ মাসে ৩০০০ এনকাউন্টার করিয়ে নতুন রেকর্ড যোগী সরকারের।

একসকময়ে গুন্ডা, মাফিয়াদের আস্তানা নামে পরিচিত উত্তরপ্রদেশ গুন্ডারাজ থেকে কিভাবে রামরাজ্য হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তার প্রমাণ পাওয়া গেল আবারও। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে তাদের কাজের উপলদ্ধির তালিকা পেশ করেছিল। এই তালিকায় যোগী শাসনকালে এখনো অবধি কত এনকাউন্টার হয়েছে তাও সামিল রয়েছে। সরকারের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী মার্চ ২০১৭ থেকে জুলাই ২০১৮ এর মধ্যে ের পুলিশ ৩০০০ বেশি এনকাউন্টার করেছিল। এর মধ্যে প্রায় ১২ ডজন অপরাধীকে মেরে ফেলা হয়েছিল। প্রদেশ সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৭ থেকে ২০১৮ এর জুলাই পর্যন্ত সময়কালে যোগী পুলিশ ৩০২৬ সংঘর্ষ করেছে যেখানে ৭৮ জন অপরাধীকে মেরে ফেলা হয়েছে এবং ৮৩৮ অপরাধী আহত হয়েছিল। ওই সময়ের মধ্যে সরকার ৭০৪৩ সংখক অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুধু এই নয়, সরকারের প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী ১১৯৮১ জন অপরাধী এনকাউন্টার হওয়ার ভয়েতে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। এই ইস্যুতে প্রদেশের মুখ্যসচিব অনুপ কুমার পান্ডে সমস্ত জেলাআধিকারিকদের আদেশ দিয়েছেন সরকারের এই উপলব্ধিকে বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য।

 

সরকারের উপলদ্ধিতে STF এর এনকাউন্টারও সামিল রয়েছে, এই ক্ষেত্রে ৯ জন অপরাধীকে মেরে ফেলা হয়েছিল এবং ১৩৯ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। STF ৬ লক্ষ মানুষের সাথে ৩৭০০ কোটি টাকার ঠকবাজি করেছিল। এই ঠকবাজি করা ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে ফেলা হয়েছিল।

শুধু এই নয়, যোগী সরকার বিভিন্ন গুন্ডাগিরির মামলার তদন্ত মিলিয়ে মোট ৬০ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার সম্পত্তি কবজা করেছে। একইসাথে ১২৭৭ জন জমি মাফিয়ার বিরুদ্ধে কার্যবাহী করা হয়েছে। যোগী সরকারের এই উপলব্ধির উপর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সমাজবাদী পার্টির প্রবক্তা সুনীল সাজ্জান বলেছেন সরকার আইনব্যাবস্থা হাতে নিয়ে যা ইচ্ছা শুরু করেছে, আমরা এই ইস্যুতে সাংসদে বক্তব্য দিয়েছি। কিছু বিরোধীর দাবি সরকার গুন্ডা দমনের নামে এক বিশেষ সম্প্রদায়ের নামে অত্যাচার শুরু করেছে। যদিও ের সাফ বক্তব্য, উত্তরপ্রদেশে বসবাস করতে হলে আইন কানুন মেনে চলতে হবে, যারা ভাবছে রাজ্যে গুন্ডাগিরি চালাবে তাদের জন্য এনকাউন্টার জারি থাকবে।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.