Press "Enter" to skip to content

হিন্দুদের বদনাম করতে মব লিঞ্চিং এর নামে মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছে কিছু দালাল মিডিয়া।

মিডিয়া ও কট্টরপন্থীরা হিন্দুদের দোষী প্রমাণ করতে এবং নিজেদের নিরীহ প্রমান করতে কিভাবে ষড়যন্ত্র করতে পারে তার প্রমান আবারও মিলল। সম্প্রতি UP এর কানপুরে বুধবার মাঝরাতে এক অটো চালককে কিছু লোক মিলে মারধোর করেছিল। পরে মার খাওয়া ব্যাক্তি আতিব অভিযোগ করে যে তাকে জয় শ্রীরাম না বলার কারণে মারধোর করা হয়েছিল। যদিও পুলিশ তদন্ত করার পর অন্য গল্প সামনে এসেছে। এই মামলায় এসপি সাউথ রবিনা ত্যাগী বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে পীড়িত ও অপরাধকরি একসাথে বসে মদ্য পান করছিল, সেই সময় কোনো ব্যাপার নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় এবং তারপর মারপিট শুরু হয়ে যায়। জয় শ্রীরামের স্লোগান দেওয়ার বিরুদ্ধে মারধোরের গল্পটা মিথ্যে। আর বাকি অভিযোগের তদন্ত চলছে।

জানিয়ে দি প্রথমে খবর এসেছিল যে মারের বিরোধ করায় তাকে সুলভ শৌচালয়তে বন্দি করে তার মাথায় পাথর দিয়ে মারা হয়েছিল। যুবককে প্রথমে কেপীএম এ পৌঁছানো হয় তারপর প্রাথমিক প্রতিকারের পর তাকে বাড়ি পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর পুরো শহরে মব লিঞ্চিং এর গুজব ছড়িয়ে গেছিল। শহরে লোকেদের মুখে এই টোপ ছিল যে অটোআলা কে জয় শ্রীরাম বলতে বলা হয় আর যখন উনি মানা করে বলতে তার উপর হামলা করা হয়। কিন্তু পুলিশের তদন্তের পর অন্য সত্যি সামনে বেরিয়ে আসে।

এই ঘটনাটি কে নিয়ে শহরে এখনো গুজব এর বাজার গরম আছে। এলাকায় উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে আছে। আতিব নামক মুসলিম ব্যাক্তিকে মব লিঞ্চিং করার মিথ্যা খবর দেশের অনেক মিডিয়াও প্রকাশ করেছিল। সম্পতি তাবরেজ আনসারী নামের এক যুবক ঝাড়খণ্ডের এক স্থানে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ায় মার খেয়েছিল। সে নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দেওয়ায় তাকে স্থানীয় লোকজন জয় শ্রী রাম, জয় হনুমান ইত্যাদি বলিয়ে যাচাই করছিল। এরপর লোকজন ওই চোরকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল। পুলিশের হেফাজতে কয়েকদিন পরে সে মারা গেছিল। কিন্তু এক্ষেত্রেও কিছু মিডিয়া হিন্দুদের বদনাম করার জন্য গুজব রটিয়ে ছিল যে তাবরেজ আনসারী জয় শ্রী রান না বলায় মব লিঞ্চিং করা হয়েছিল। তবে শুধু ঝাড়খণ্ড বা কানপুর নয়, দেশের নানা প্রান্তে হিন্দুদের বদনাম করতে কট্টরপন্থীরা এবং দালাল মিডিয়ায় একসাথে কাজ করছে।