Press "Enter" to skip to content

ইফতার পার্টি নয় ! এবার নবরাত্রি উপলক্ষে হিন্দুবীর যোগী আদিত্যানাথ যা করলেন, জানলে …

ভয়ানক তথাকথিত ধৰ্মনিরপেক্ষতা থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে । এবার উত্তরপ্রদেশে পরিবর্তন দেখা দিতে শুরু হয়েছে। প্রদেশ এবার রাম রাজ্য হওয়ার দিকে অগ্রসর হতে শুরু করেছে। এবার উত্তরপ্রদেশে ইফতার পার্টির দিন শেষ, বরং ফলহার পার্টির দিন শুরু হয়েছে প্রদেশে। দেশে সর্বাধিক ট্যাক্স দেওয়ার পরেও হিন্দুরা ব্যাপক হারে শোষিত হয় এবং এক বিশেষ ধর্মের মানুষকে তুষ্টিকরন করা হয়। কিন্তু এবার যোগী রাজ্যে এই সমস্থ তোষণের দিন শেষ এবং এবার থেকে ইফতার পার্টি নয় হচ্ছে ফলহার পার্টি। পবিত্র নবরাত্রির সময় চলছে এই সময় বহু মানুষ ব্রত রাখেন। এবার যারা সাধারন , তারা ব্রত রেখে বাড়িতেই বিশ্রাম নেন কিন্তু পুলিশ কর্মীদের ক্ষেতে বিশ্রাম নেওয়া সম্ভব নয়। কারণ পুলিশ কর্মীদের তাদের ডিউটি পালন করতে হয়।

আর ব্রত পালন করে ডিউটি করা কোনো সহজ কাজ নয়। কিন্তু যোগী আদিত্যনাথ পুলিশের এই বিষয়টি ভালোভাবেই বোঝেন, যার জন্য প্রত্যেক জায়গায় পুলিশকর্মীদের জন্য ফলহার পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। ফলহার পার্টির জন্য পুলিশ কর্মীরা খুব প্রকাশ করেছেন। উত্তরপ্রদেশের পুলিশ জানিয়েছে পুলিশের এমন খেয়াল আজ পর্যন্ত কোনো সরকার রাখেনি, সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশের পুলিশ।

ইফতার পার্টিতে টাকা খরচ কেন করা হয় সেটা না দেখতে পেলেও, যোগী আদিত্যানাথ কেন হিন্দু উৎসবে এইভাবে টাকা খরচ করছে তা নিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে দালাল মিডিয়া। সেকুলার ও ববামপন্থীরাও এই ইস্যুতে যোগী আদিত্যানাথ সরকারের উপর ক্ষোপ প্রকাশ করছে। যদিও যোগী আদিত্যানাথ জানিয়েছেন এই ধরণের পার্টি পরের বার থেকে আরো বেশি করে অয়োজন করা হবে।

কিছু কিছু এই নিয়ে যোগী সরকারের বিরুদ্ধে ে মামলা করবে বলেও হুমকি দিয়েছে কিন্তু যোগী আদিত্যানাথ কোনো তোয়াক্কা না করেই উত্তরপ্রদেশকে রামরাজ্য করার জন্য নেমে পড়েছেন। আজ নিয়ে পর পর তিন দিন যোগী আদিত্যানাথ একের পর এক বড়ো কাজ করে দেখিয়ে দিয়েছেন। প্রথমে ৪০০ মাদ্রাসা শিক্ষকেকে বাতিল, তারপর ২০০ বছর পুরানো চার্চের জমি ফেরত নেওয়া এবং আজকে আরো একবার হিন্দুদের খেয়াল রেখে ফলহার পার্টির আয়োজন করা।