Press "Enter" to skip to content

বাংলায় তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পরিজনদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর () শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে একদিকে যেমন নামিদামি দেশের এবং বিশ্বের নেতারা আমন্ত্রিত থাকছেন। তেমনই আরেকদিকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের () দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত বিজেপি () কর্মীদের পরিজনদেরও বিশেষ ভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এদের থাকা-খাওয়ার সুবন্দোবস্ত দলের তরফ থেকেই করা হয়েছে। এরা বিজেপির সেই কর্মীদের পরিজন, যারা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলিদান দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের হাতে মৃত মেদিনীপুরের বিজেপি কর্মীর পুত্র বলেন, ‘আমার বাবাকে তৃণমূলের গুণ্ডারা মেরে ফেলেছে। আমরা আজকে খুব খুশি, কারণ আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং দিল্লীতে দেকেছেন। আমাদের এলাকায় এবার শান্তি ফিরবে।”

বিজেপি দ্বারা ৫৪ টি পরিবারকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো এটাই বোঝাচ্ছে যে, এবার বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় আসতে বদ্ধপরিকর হয়েছে। আর তাঁদের এই পদক্ষেপ চারিদিকে প্রশংসা কুড়োচ্ছে। আমন্ত্রণ পত্রে ১৬ ই জুন ২০১৩ থেকে ২৬ মে ২০১৯ পর্যন্ত বিজেপি যত কর্মীরা তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হয়েছে, তাঁদের সবার পরিবারকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি, প্রধানমন্ত্রী ৩০ মে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য শপথ নিতে চলেছেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সমেত আট দেশের রাজনেতারা উপস্থিত থাকবেন।

BIMSTEC এ ভারত ছাড়া ভূটান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, নেপাল আর বাংলাদেশের নাম আছে। কির্গিস্তান এর রাষ্ট্রপতি আর মরিশাস এর প্রধানমন্ত্রীকেও আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন দেশের সফরে আছেন, আর এই জন্য তিনি এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তবে ওনার যায়গায় বাংলাদেশের মন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। আরেকদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়নি।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রোটকল অনুযায়ী, প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী আর সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাছাড়াও দেশের নামিদামি ব্যাবসায়ি, অভিনেতা আর খেলোয়াড়দেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

Comments are closed.