Press "Enter" to skip to content

একটা নয়, দুটো নয়, একসাথে পাঁচটি সুখবর এলো মোদী সরকারের জন্য।

একদিকে যখন লোকসভা নির্বাচন সামনে এগিয়ে আসছে তখন ের ওপর বিরোধীদের আক্রমণ লাগাতর বেড়েই চলছে। নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে চীন, পাকিস্থান, কংগ্রেসের সাথে এক হয়ে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে নেমে পড়েছে। কংগ্রেস সহ। বিরোধীরা বিনা প্রমাণের ভিত্তিতে লাগাতার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের উপর আক্রমণ শুরু করেছে। তবে এই সপ্তাহের মধ্যে লাগাতার ৫ টি বড়ো বড়ো সুখবর এসেছে যা মোদী বিরোধীদের মুখে লাগাম লাগানোর সাথে সাথে বিজেপির সমর্থকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

প্রথম সুখবর: রাষ্ট্রসঙ্ঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার পেয়ে সকলকে গর্বিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বিশ্বজয়ে খেতাব ‘চ্যাম্পিয়ন্স অফ দি আর্থ’ এ ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী । প্রধানমন্ত্রী মোদী এই সর্বোচ্চ পুরস্কার পাওয়ার পর রাষ্ট্রসঙ্ঘকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটা একা কোনো ব্যক্তির জন্য পুরস্কার নয় বরং ভারতের পরম্পরা ও ১২০ কোটি মানুষের জন্য পুরস্কার। জানিয়ে ক্ষমতায় আসার পর থেকে যেসব পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্বকে পথ দেখানোর যে কাজ করেছেন তার ভিত্তিতেই এই পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন।

Bengali News , Bengal News

দ্বিতীয় সুখবর: বিগত দিনে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী দেশ আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প সংযুক্ত রাষ্টের মোদী সরকারের সুনামে পঞ্চমুখ হয়েছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন ভারত এমন একটা দেশ যেখানে ১০০ কোটির বেশি মানুষ বসবাস করে। মোদী সরকার ভারতে বহু মানুষকে গরিবী সীমার থেকে উপরে তুলে এনে জনকল্যাণ মূলক কাজ করেছেন বলে জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুরো বিশ্বের প্রতিনিধিদের সামনে ট্রাম্প বলেন, ভারতের অনেক মানুষ যারা আগে গরিবী সীমার মধ্যে ছিল তারা বর্তমানে মধ্যবিত্ত স্তরের মধ্যে চলে এসেছে। ট্রাম্পের এই বক্তব্য কোনো ছোট ব্যাপার নয়, এর ফলে পুরো বিশ্বের কাছে ভারতের ছবি পজেটিভ হবে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের গুরুত্ব আরো বাড়বে একইসাথে ভারতে নিবেশের  পরিমাণও বাড়বে।

নরেন্দ্র মোদী
নরেন্দ্র মোদী – Bengali News

তৃতীয় সুখবর: বিগত কিছু সপ্তাহ ধরে রাফেল চুক্তি নিয়ে মিডিয়া, কংগ্রেস ও বামপন্থীরা লাগাতার  মোদী সরকারকে ঘিরে ফেলার চেষ্টায় ছিল। জানলে অবাক হবেন কিছুদিন আগেই মিডিয়া দাবি করেছিল ফ্রান্সের পূর্ব রাষ্ট্রপতি হল্যান্ড নাকি বলেছেন, ভারত সরকার রাফেল চুক্তিতে ফ্রান্সের সামনে শুধুমাত্র রিলায়েন্স কোম্পানির বিকল্প রেখেছিল এছাড়া কোনো বিকল্প  সরকার ফ্রান্সের সামনে রাখা হয়নি। উল্লেখযোগ্য বিষয় মিডিয়া ও কংগ্রেস এই নিয়ে মোদী সরকারের উপর প্রশ্ন উঠাতে শুরু করলেও তারা হল্যান্ডের বক্তব্যের কোনো বয়ান দেখাতে পারেননি। শেষমেষ এই বিষয়ে হল্যান্ড নিজে মুখ খোলেন এবং জানান তিনি রাফেল নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি অথচ ভারতের মিডিয়া লাগাতার অপপ্রচার চালাচ্ছে। অর্থাৎ কেরালার বন্যায় UAE ৭০০ কোটি দেবে বলে মিডিয়া যেমন মিথ্যা প্রচার করেছিল ঠিক একইভাবে হল্যান্ডের বিষয়টাও মিথ্যা প্রচার করা হয়েছিল।

bengal News - Narendra Modi
Bengali News – Narendra Modi

চতুর্থ সুখবর: একদিকে যখন রাফেল নিয়ে বিরোধী ও বামপন্থী দালাল মিডিয়া অপপ্রচার চালাচ্ছে তখন ANI নিউজ এর কাছে ফ্রান্সের বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রন  রাফেল নিয়ে মুখ খোলেন। ম্যাক্রন বলেন, রাফেল চুক্তি একটা সরকারের সাথে আরেক সরকারের সরাসরি চুক্তি এখানে মাঝে কোনো দালাল বা কমিশন নেই এই কারণে দুর্নীতির কোনো প্রশ্নই উঠে না। কংগ্রেস আমলে যতগুলি ঘোটালা হয়েছে সবগুলিতে দুই সরকারের মাঝে দালাল নিযুক্ত ছিল যার জন্য সরকার দুর্নীতি করতে সক্ষম হয়েছিল কিন্তু মোদী আমলে গভর্মেন্ট টু গভর্মেন্ট কন্টাক্ট তাই ঘোটালার প্রশ্নই আসে না।

পঞ্চম সুখবর: এটা শুধু বা মোদী সরকারের জন্য নয় বরং পুরো বিশ্বের রামভক্তদের জন্য সুখবর। গতকাল ইসমাইল ফারুকী মামলা কেসে একটা বড়ো শুনানি সামনে এসে যা রামমন্দির নির্মাণের পথ স্পষ্ট ও প্রশস্ত করে। কাল আদালত জানায় মসজিদ ইসলামে নামাজের প্রয়োনজনীয় অংশ নয়। অর্থাৎ রাম মন্দির নির্মাণের ক্ষেত্র তথা অযোধ্যা মামলা কেসে এই রায়ের পূর্ন সমর্থন পাবে হিন্দু পক্ষ। অযোধ্যা মামলা কেসে হিন্দুপক্ষ জানিয়েছিল মসজিদ ইসলামে নামাজের প্রয়োজনীয় অংশ নয় এবং মসজিদ স্থানান্তরিত করা সম্ভব। এখন আদালতের রায়ের পর এই বিষয় আরো স্পষ্ট হয়ে গেছে যার জন্য মমন্দির নির্মাণের পথ স্পষ্ট হয়েছে। সুব্রামানিয়াম স্বামী বলেন রাম মন্দির নির্মাণের জন্য আর সংসদের প্রয়োজন নেই এটা স্পষ্ট এবার আদালত মন্দির নির্মাণের অনুমতি দেবে।

Bengali News
Narendra Modi – Bengali News

এছাড়াও মোদী সরকার আয়ুষ্মান প্রকল্প নামক বিশ্বের সবথেকে বড় হেল্থ স্কিম শুরু করেছেন যা ভারতের রূপ চিরতরে বদলে দেবে। এই প্রকল্পের জন্য নোবেল শান্তিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম মনোনীত করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিন্ম মধ্যবিত্ত ও গরিব পরিবারগুলি স্বাস্থ্যের জন্য বছরে পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা খরচ করা হবে। অর্থাৎ প্রতি বছর তাদের যেকোন রকমের শারীরিক সমস্যা হোক, সবটাই এই ৫ লক্ষের মধ্যে থেকেই খরচ করা হবে যাতে মানুষ দরিদ্র সীমার নীচে নামবে না। প্রতি বছর শারীরিক অসুস্থতার চিকিৎসা করাতে গিয়ে দরিদ্র পরিবার আরো দরিদ্র হয়ে যায়। সেই দিকে লক্ষ রেখেই মোদী সরকার এই প্রকল্প চালু করেছে। যার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। জানিয়ে দি WHO অর্থাৎ ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন পর্যন্ত মোদী সরকারের এই প্রকল্পের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছে।

আমাদের প্রতিটি পোস্টের নোটিফিকেশন পেতে ও বিশেষ bengali news পড়তে অবশ্যই Indiarag সাইটে সাবস্ক্রাইব করুন।