Press "Enter" to skip to content

অটল বিহারী বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানাতে অর্ধনমিত ব্রিটেন সহ এই দেশগুলির জাতীয় পতাকা।

ভারতরত্ন একদিকে যেমন ছিলেন প্রখর রাজনীতিবিদ তেমনি ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী ও লেখক । শত্রুদের কঠোর বার্তা দিয়ে কিভাবে রাজধর্ম পালন করতে হয় তা অটলবিহারী বাজপেয়ীর থেকে হয়তো আর কেউ ভালো জানতেন না। আপনাদের জানিয়ে দি, পরাধীন ভারতে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নেমে ছিলেন ভারত মাতার এই বীর পুত্র। ১৯৪২ থেকে শুরু করে ১৯৪৭ পর্যন্ত ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে টানা সংগ্রাম চালিয়েছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী এর জন্য উনাকে ২ বার জেলেও যেতে হয়েছিল। গতকাল হিন্দুরীতি মেনে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় পূর্ব প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীজির শেষকৃত।

অটলজির রাজনৈতিক জীবন এতটাই উজ্জ্বল ও সাফ ছিলো যে বিরোধীরা পর্যন্ত উনার ভক্ত ছিলেন। ৯৩ বছর বয়সে রাষ্ট্রীয়ই স্মৃতি স্থল থেকে পঞ্চভুতে বিলীন হয়ে যান দেশের অভিভাবক অটল বিহারী বাজপেয়ী। আপনাদের জানিয়ে দি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নিধনে বৃহস্পতি বার থেকেই ৭ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছিল। দেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকেও।রাজনীতি ভুলে সমস্ত দলের নেতারা এক হয়ে শোক পালন করছেন অটলজির নিধনে। আমেরিককে, রুশও অটলজির নিধনে ভারতকে সমবেদনা জানিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন অটলজি বাংলাদেশের খুব ভালো বন্ধু ছিল আমরা উনার স্বর্গবাসে মর্মাহত। নিউ দিল্লির ব্রিটিশ হাই কমিশনও অটলজিকে সন্মান জানিয়ে ইউনিয়ন জ্যাক অর্ধনমিত রেখেছে। ‘অটলজি অমর রহে’ এই হ্যাশ ট্যাগ সহযোগে ব্রিটেন সর্বদা ভারতের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে। বেলজিয়ামের দূতাবাসেও অর্ধনমিত রয়েছে তাদের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রেখেছে। মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের সরকারি সংগঠন ও ভবনগুলিতে ৭ দিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা অর্ধনমিত।

দেশের পূর্বপ্রধানমন্ত্রীর প্রতি এইভাবে সন্মান জানানোর জন্য খুশি প্রকাশ করেছে ভারতবাসী। আসলে অটল বিহারী বাজপেয়ী এমন এক চিন্তাধারার ব্যাক্তি ছিলেন যিনি তার বক্তব্যের মাধ্যমে বিরোধীদেরও মন জয় করে নিতেন। গতকাল মা ভারতীর শেষকৃতের সময় উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি,সেনাপ্রধান, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমহোম সিং ও অন্যান্য বিশিষ্ট রাজনীতিবিদরা। বিজেপির সদর দপ্তর থেকে পিতা সমান অটলজির গাড়ির সাথে ৪ কিমি হেটেই রাষ্ট্রীয় স্মৃতি স্থলে পৌঁছেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।