Press "Enter" to skip to content

ট্যাক্সের টাকা সঠিক কাজে লাগিয়ে হিন্দুদের মন জয় করে নিলেন যোগী আদিত্যানাথ! কুম্ভমেলায় হিন্দুদের জন্য ফ্রী পরিষেবা।

স্বাধীনতার পর থেকে এই ভারতেরল একটাই ট্রেন্ড চলেছে, হিন্দুদের শোষণ করো বাকিদের তোষণ করো। হিন্দুদের লুটে বাকিদের মধ্যে বিলিয়ে দাও, হিন্দুদের থেকে ট্যাক্স নিয়ে সাবসিডি অন্যদের দান করো, ট্যাক্স হিন্দু ধর্মস্থলে লাগিয়ে দিয়ে সেই টাকা অন্যদের ধৰ্ম উৎসবে দান করো। সোজা কথায় স্বাধীনতার পর থেকে ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে- হিন্দুদের লুটে বাকিদের তোষণ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছিল। আজও ভারতের বেশিরভাগ অংশে এই ধৰ্মনিরপেক্ষতা চলছে। কিন্তু উত্তরপ্রদেশে অবস্থা অনেকটা বদলাচ্ছে কারণ রাজ্যে একটা রাষ্ট্রবাদী সরকার শাসনকার্য চালাচ্ছে। যোগী সরকার হিন্দুদের সম্পুর্ন খেয়াল রেখেছে যেটা হিন্দুদের প্রাপ অধিকার।

আরও পড়ুন – পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির গ্র্যান্ড পরিকল্পনা ! রথযাত্রায় আসবেন নরেন্দ্র মোদী থেকে যোগী আদিত্যানাথ।

কারণ হিন্দুরাই বিকাশের জন্য সর্বাধিক বেশি ট্যাক্স প্রদান করে। উত্তরপ্রদেশে এই বারের কুম্ভ মেলা সবথেকে ভব্য হতে চলেছে। এই বার কুম্ভমেলায় যোগী সরকার হিন্দুদের জন্য বেশ ভালো রকম সুযোগ সুবিধার ব্যাবস্থা করতে চলেছে। এবারে কুম্ভ মেলায় প্রায় ১২ কোটি হিন্দু আসার অনুমান করা যাচ্ছে। যোগী সরকার আগত হিন্দুদের জন্য এক বিশেষ প্রকারের বাস চালাতে চলেছে। এই বাস গুলির রং গেরুয়া হবে এবং কুম্ভযাত্রীদের জন্য এই বাসগুলি ফ্রী পরিষেবা দেবে।

প্রয়াগরাজে এই বাসগুলি সবসময় উপস্থিত থাকবে, প্রয়াগরাজ স্টেশন থেকে যাত্রীদের নিয়ে যাওয়া আসা এই সমস্ত কিছু বাসগুলি বিনামূল্যে পরিষেবা দেবে। যোগী সরকার আজ হিন্দু ও রাষ্ট্রবাদীদের মন জয় করে নিয়েছে কারণ হিন্দুরা তাদের অর্জিত টাকা থেকে যে ট্যাক্স প্রদান করে তা সঠিক কাজে লাগাচ্ছে যোগী সরকার। ফ্রী বাস পরিষেবা বা অন্যান্য পরিষেবা পাওয়াটা বড়ো ব্যাপার নয়, বড়ো ব্যাপার এই যে যোগী সরকার ‘ভন্ড ধর্মনিরপেক্ষতা’ থেকে বেরিয়ে এসে হিন্দুদের খেয়াল রাখছে।

জানিয়ে দি এই কুম্ভমেলার জন্য আয়োজন যোগী সরকার অনেকদিন থেকেই শুরু করেছিল। কুম্ভমেলার রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য রাস্তায় পাশে থাকা সমস্থ অবৈধ বিল্ডিং ভেঙে ফেলা হয়েছে। কুম্ভ মেলার জন্য অনেক আগেই আগের সরকারের তুলনায় ৩ গুন টাকার ব্যাবস্থা করা হয়েছে।