Press "Enter" to skip to content

ব্রেকিং খবর: পাকিস্থানে এমারজেন্সি মিটিং! ফাইটার জেট উড়ানোর জন্য নেই যথেষ্ট জ্বালানি, ৭০% জেটে নেই জ্বালানি।

ভারতের ও পাকিস্তানের মধ্যে আধিকারিক যুদ্ধ ঘোষণা না হলেও, আসলে ছোট স্তরে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে এটা বলাই চলে।
আতঙ্কবাদী গতিবিধি চালানোরা আগে পাকিস্থানের এটা মনে রাখা দরকার ছিল যে ভারতে মনমোহনের নয়,নরেন্দ্র মোদীর সরকার আছে। মনমোহন সরকার ২৬/১১ ঘটনার পর হাতপা গুটিয়ে প্রমান দেওয়া নেওয়ার খেলা খেলছিল কিন্তু এটা মোদী সরকার। উরি হামলার পর মোদী সরকার পাকিস্থানকে শিক্ষা দিয়ে দিয়েছে। পুলবামা হামলার পর নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করেছিলেন যে এবার আতঙ্কবাদীরা বড় ভুল করে দিয়েছে। পুলবামার পর পাকিস্থানের উপর বড়ো স্ট্রাইক করে দেওয়া হয়েছে এবং পাকিস্থানের আর্থিক কোমর ভেঙে দিয়েছে।

আজ ভারত পাকিস্থানের একটা f-16 জেটকে নৌসেরা এলাকায় ফায়ারিং করে ফেলে দিয়েছে। পাকিস্থানের সমস্থ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট বন্ধ করতে হয়েছে এবং পাকিস্থানের ইমারজেন্সির অবস্থা তৈরি হয়েছে। পুরো পাকিস্থান এক প্রকার ব্লক হয়েছে এবং এই মুহূর্তে পাকিস্থানে জরুরী বৈঠক ডাকা হয়েছে।

প্রাপ্ত অনুযায়ী, পাকিস্থানের অধিকতর জেটে জ্বালানি নেই। যে জেটগুলিতে জ্বালানি আছে সেগুলিও বেশি সময়ের জন্য উপযুক্ত নয়। জানিয়ে দি, জেটের জ্বালানি খুব দামি আর পাকিস্থানের অর্থব্যাবস্থা দুর্বল থাকায় তারা জ্বালানির জোগান রাখতে পারেনি।

সবথেকে বড় ব্যাপার এই যে, পাকিস্থান এটা ভাবতেই পারেনি যে মোদী ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সকে এইভাবে মাঠে নামিয়ে দেবে। এই কারণে পাকিস্থানের তার এয়ার ফোর্সকে আগে থাকতে প্রস্তুত করতে পারেনি।  এখন পাকিস্থানের কাছে জ্বালানির যোগান না থাকায় এয়ার ফোর্সকে সঠিকভাবে ব্যাবহার পর্যন্তও করতে পারছে না।

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.