Press "Enter" to skip to content

বড় খবর: সর্দার প্যাটেলের পর এবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্ট্যাচু গড়বে মোদী সরকার! পূর্ন সমর্থন জানালো শিবসেনা।

দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদী বসার পর থেকে একের পর দেশহিতে এক বড়ো পদক্ষেপ নিয়ে চলেছেন। তবে শুধু দেশহিতে পদক্ষেপ নেওয়া নয় একই সাথে দেশের মহাপুরুষদের যোগ্য সন্মান দেওয়া শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। যদিও পশ্চিমবঙ্গের একটা এক বিশেষ শ্রেনীর মিডিয়া একটা এটার উপর রাজনীতির রং লাগানো শুরু করে দিয়েছে। কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লালকেল্লা থেকে পতাকা উত্তোলন করে সুভাষ চন্দ্র বসুকে দেশের প্ৰথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। শুধু এই নয় ডিসেম্বরে নরেন্দ্র মোদী আন্দামান নিকোবর গিয়ে সেখানে নেতাজিকে স্মরণ করে পতাকা উত্তোলন করবেন। তবে এখন একটা বড়ো খবর সামনে আসছে যা প্রত্যেক দেশভক্তকে আনন্দিত করে তুলবে। আসলে কিছুদিন আগেই মোদী গুজরাটে সর্দার প্যাটেলের মূর্তির উন্মোচন করেছেন।

সর্দার প্যাটেলের পর এবার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। যারা এই বিষয়টিকে রাজনৈতিক মুভ বলে দাবি করছেন তাদের জন্য জানিয়ে দি নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলার দুই ব্যাক্তির প্রতি খুব উৎসুক ছিলেন। তারা হলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও স্বামী বিবেকানন্দ। ২০১৩ সাল থেকে নেতাজির বিষয়ে সমস্থ তথ্য দেশকে জানানোর জন্য মোদী লাগাতার প্রয়াস করেছেন।
২০১৩ সালে উনি নেতাজির পরিবারের সাথে দেখা করেন এবং তখন থেকে উনি লাগাতার নেতাজিকে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরার জন্য কাজ করে চলেছেন।

প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, জেনারেল জিডি বক্সী এই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিটিও লিখেছেন। জেনারেল বক্সী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে নেতাজির এক বিশালাকার মূর্তি দিল্লিতে নির্মাণের জন্য দাবি জানিয়েছেন। দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের সামনে এই মূর্তি নির্মাণের জন্য দাবি জানিয়েছেন। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর পরিবার জেনারেল বক্সীর এই দাবিকে স্বাগত জানিয়েছেন। চন্দ্রকান্ত বাবু জানিয়েছে আমরা প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর কাজে খুবই খুশি এবং এখন আমরা চাই নেতাজির একটা স্ট্যাচু ইন্ডিয়া গেটের সামনে গড়ে তোলা হোক।

কংগ্রেস এই বিষয়টিকে রাজনীতি বলে দাবি করেছে। স্মরণ করিয়ে দি, এটা সেই কংগ্রেস যারা পার্লামেন্টে সুভাষচন্দ্র বসুর ছবি লাগানোর বিরোধ করেছিলেন। কিন্তু অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রচন্ড চেষ্টায় পার্লামেন্টে নেতাজির ছবি লাগানো সম্ভব হয়েছিল। শিব সেনা ও JDU পার্টি নেতাজির মূর্তি গড়ে তোলার জন্য পূর্ন সমর্থন জানিয়েছে । অরবিন্দ সায়ান্ট বলেছেন নেতাজির মূর্তি গড়ে তোলা হোক, কিন্তু অনেক মিডিয়া এটাকে রাজনীতির সাথে জুড়ে দিচ্ছে যেটা কখনোই ঠিক নয়।