Press "Enter" to skip to content

মসজিদে তুলে নিয়ে গিয়ে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করলো আনসার আলি ও তার সাথীরা! ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘাটালে বিক্ষোভ।

পশ্চিমবঙ্গে কট্টরপন্থীদের উৎপাত লাগাতার বেড়েই চলছে। এক চাঞ্চল্যকর খবর পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল থেকে সামনে আসছে। ঘাটালের শ্রীরামপুর গ্রামে দুই স্কুল ছাত্রীকে জোর করে মসজিদে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। ঘটনা বুধবারের যখন ছাত্রীরা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। ঠিক সেই সময় আনসার আলি, আনোয়ার আলি ও তাদের বাকি সাথীরা মিলে দুই ছাত্রীকে আটক করে এবং জোরপূর্বক মসজিদে তুলে নিয়ে যায়।  মসজিদের ভেতর দুই ছাত্রীকে শীলতাহানি ও যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ সামনে এসেছে।

কট্টরপন্থীরা যৌন নির্যাতন করলে ছাত্রীরা কান্নায় ভেঙে পড়ে, এক ছাত্রী কোনোক্রমে মসজিদ থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়। কিছুক্ষণ এর মধ্যে কান্না শুনে জড়ো হয় স্থানীয় মানুষজন। মসজিদের মধ্যে থাকা ৪ কট্টরপন্থীর মধ্যে দুজন পালিয়ে যায়। তবে দুজনকে ধরে ফেলা হয়। আনসার আলি ও আনোয়ার আলিকে ধরে পলিশের হতে তুলে দেয় স্থানীয় লোকজন। আনসার আলি ও আনোয়ার আলীর বয়স সম্ভবত ৪৫-৫০ বছরের বলে স্থানীয়দের অনুমান।

মসজিদে হওয়া এমন অসভ্য কর্মকান্ডের কথা শুনে এলাকার পার্শ্ববর্তী গ্রাম থেকে লোকজড়ো হতে থাকে। কিসমত কোতুলপুর, রঘুনাথপুর, চকসাদি প্রভৃতি পার্শ্ববর্তী গ্রাম থেকে কয়েকশো মানুষ একত্রিত হয়ে মসজিদের সামনে বিক্ষোপ প্রদর্শন করে। গ্রামের ব্যাক্তিরা জানান যে, মেয়েরা ওই রাস্তা দিয়ে স্কুল যাতায়াত করে। সেই সময় কট্টরপন্থীরা খারাপ চোখে দেখে। এক মহিলা বলেন, ওদের জন্য আমরা আমাদের মেয়েদের নিয়ে চিন্তায় থাকি।

এখন এত প্রাপ্তবয়সী লোকজন হয়ে কিভাবে বাচ্চা মেয়েদের প্রতি কুদৃষ্টি দেখে সেটাই সমাজের কাছে বড়ো প্রশ্ন। আসলে এই কট্টরপন্থীদের সংখ্যা যেখানেই বেশি যেখানেই এই ধরনের ঘটনা ঘটিত হয়। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে এদের উৎপাত চরমে পৌঁছে গেছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গেরই গঙ্গারামপুরে এক মেয়েকে লাভ জিহাদে ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছিল। লাভ জিহাদ সফল না হওয়ায় ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ ও হত্যা করার ঘটনা সামনে এসেছিল।