Press "Enter" to skip to content

সরকারি স্কুলকে করা হয়েছিল মাদ্রাসা! যোগী আদিত্যানাথ এর কড়া পদক্ষেপে বিরোধ কংগ্রেসের।

উত্তরপ্রদেশের পূর্ব মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব সব কাজে নিজের অবদান দেখান কিন্তু সরকারি স্কুলের ইসলামিকরণ হচ্ছিল সেই ব্যাপারে তিনি এখন চুপ করেই আছে। উত্তরপ্রদেশে মায়াবতীয় আমলে যা অবস্থা হয়েছিল তার থেকেও খারাপ অবস্থা হয়েছিল অখিলেশ যাদবের আমলে। এটা তো উত্তরপ্রদেশের জনগণের ভাগ্য ভালো যে এখন রাজ্যে যোগী শাসন এসেছে নাহলে রাজ্যের ইসলামিকরনের পক্রিয়া খুব দ্রুতগতিতে এগোচ্ছিল। কোনো রাজ্যে সরকারি স্কুলে বা সরকারি অন্য কাজে সরকারের বা স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি বা সাহায্য ছাড়া পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আর সেই মতো অখিলেশ আমলে উত্তরপ্রদেশের বেশকিছু স্কুলের নাম পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছিল।

সরকারি স্কুলের নামের আগে যোগ করে দেওয়া হয়েছিল ইসলামিয়া শুধু তাই নয়, প্রত্যেক সরকারি স্কুল যেখানে রবিবার ছুটি থাকে সেখানে মুসলিম বহুল এলাকায় এই স্কুলগুলিতে রবিবারের বদলে ছুটি থাকতো শুক্রু বার। এমনকি স্কুলে সমস্তকিছু পড়ানো হতো উর্দু ভাষায়। উত্তরপ্রদেশের বলিয়া জেলায় এইরকম বেশকিছু স্কুল নজরে আসে যোগী প্রশাসনের। আর তৎক্ষনাৎ শুরু হয় কড়া পদক্ষেপ।

যোগী সরকারের নির্দেশে সাথে সাথে পেইন্টার এনে মুছে ফেলা হয় ইসলামিয়া শব্দগুলি। সমস্ত বিষয় হিন্দিতে পড়ার সাথে সাথে শুক্রু বারের বদলে রবিবার ছুটির নির্দেশও দেওয়া হয়।আশ্চর্যের বিষয় এই যে এলাকার স্থানীয় লোকজনেরা একবারের জন্যেও স্কুলের নাম নিয়ে প্রতিবাদ করেনি।

যদিও কংগ্রেস যোগী সরকারের এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে। কংগ্রেসের এক বরিষ্ঠ নেতার। বক্তব্য ওই এলাকাগুলিতে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বেশি তাই ওই নিয়ম ছিল সরকারের সেই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। এখনো পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশে এইরকম ৪৬ টি স্কুল পাওয়া গেছে। একটা বিষয় পরিষ্কার যে আগের সরকারের আমলে রাজনেতারা ভোটের জন্য এই স্কুলগুলিকে বিনা বাধায় সারিয়া নিয়ম লাগু করে মাদ্রাসার ধাঁচে চলতে দিয়েছিল এবং উত্তরপ্রদেশ ইসলামিকরনের দিকে ধাপে ধাপে এগোচ্ছিল। যদিও এখনো কিছু স্কুলের নাম থেকে ইসলামিযা নাম মুছতে বাধা প্রদান করছে স্থানীয় লোকজন তাদের দাবি এই নাম বহুদিন ধরে রয়েছে।