Press "Enter" to skip to content

বিজেপির হয়ে এই রাজ্য থেকে নির্বাচনে লড়তে চলেছেন গৌতম গম্ভীর।

ভারতবর্ষের ইতিহাসে ক্রীড়াবিদদের রাজনীতিতে আগমন কোনো নতুন কথা নয়। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে যে এর আগেও অনেক নামকরা ক্রীড়াবিদ রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ রাজনীতিতে প্রবেশ করে অনেক সাফল্যলাভ করেছেন অনেক নাম যশ কামিয়েছেন। আবার কেউ কেউ চুড়ান্ত ব্যর্থও হয়েছেন। তবে এই মুহুতে দাঁড়িয়ে যদি ক্রীড়াবিদের সফলতা লাভের উদাহরণ দিতে বলা হয় তাহলে সবার আগে উঠে আসবে সদ্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে যোগদান দেওয়া বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার ইমরান খানের নাম। শোনা যাচ্ছে এবার সেই তালিকাভুক্ত হতে চলেছেন ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য গৌতম গম্ভির। অনেকদিন ভারতীয় ক্রিকেট এর ওপেনিং সামলেছেন। সূত্র খবর অনুযায়ী, তিনি এবার ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে পারেন।

অনেকদিন জাতীয় দলের হয়ে দাপিয়ে বেড়ানো এই ওপেনিং ব্যাটসম্যান রয়েছেন বিজেপির তালিকায়। বর্তমানে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি রয়েছে দিল্লিতে সরকারের দায়িত্বে। তাদের কে সেই কুরশি থেকে সরানোর জন্য বিজেপি মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তাই তুরুপের তাস হিসাবে বিজেপি চাইছেন গৌতম গম্ভির কে। গৌতম গম্ভীর এখনও ক্রিকেট থেকে অবসর নেন নি। কিন্তু তাকে ভাবিয়ে তুলেছে বিজেপির এই অফার।

গৌতম গম্ভীর

ভোটে লড়াই করার তিনি রাজি হয়ে যেতেও পারেন। এর আগে নভজ্যোত সিং সিদ্ধু এবং মহম্মদ আজহারউদ্দীন রাজনীতিতে এসেছেন। এবার তাহলে কি গম্ভিরও আসতে চলেছেন। দেখার বিষয় এটাই যে দিল্লির পুত্র গাম্ভির রাজি হবেন কি না। যদি তিনি দিল্লি বিধানসভা ভোটে লড়াই করার জন্য রাজি হয়ে যান তাহলে বিজেপির দিল্লি দখল করা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। তাদের অনেক দিনের প্রতিক্ষিত ইচ্ছা এবার পূরন হতে চলেছে। গৌতম গম্ভীর ২০১৬ সালে শেষ বার দেশের জাতীয় জার্সি গায়ে খেলেছেন।

গৌতম গাম্ভির

তিনি ভারতের ২০০৭ ও ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন। এখন তিনি দিল্লির হয়ে নিয়মিত ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন। তার অধিনায়কত্বে কলকাতা দুবার আইপিএল জিতেছে। আপনাদের জানিয়ে দি, গৌতম গম্ভীর একজন খেলোয়াড় হওয়ার সাথে সাথে একজন সামাজিক এক্টিভিস্ট। দেশের যেকোনো সিরিয়াস ইস্যুতে উনি নিজের মতামত প্রকাশ করেন। দেশের সেনা হোক বা দেশের কৃষক সব ব্যাপারেই গৌতম গম্ভীর বহুবার নিজের মুখ খুলেছেন।

#অগ্নিপুত্র