Press "Enter" to skip to content

সেনাকে বড়ো উপহার দিলো মোদী সরকার! ভারতের এই অস্ত্র দেখে চিন্তায় চীন ও পাকিস্থান।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমলে ভারতীয় সেনার পরিবর্তনের যে ঝড় শুরু হয়েছে তার একটি প্রদক্ষেপ পুরোপুরি সম্পূর্ন হল। অষ্ট দশকে সেনাবাহিনীর উন্নতির জন্যে যুক্ত করা হয়েছিল বর্ফস কামান,সেটাও প্রথম থেকেই অক্ষম বলেই চলে।আর তার জন্যই কার্গিল যুদ্ধে বড় আঘাত পেতে হয়েছিল আমাদের সেনাবাহিনী কে।বর্ফস এর পর ভারতীয় সেনাবাহিনীতে আর কোনো নতুন অস্ত্রবাহিনী বা কামান আনা হয়নি,তাই যুদ্ধের সময় ভারতের সেনাবাহিনী কে অনেকটাই বলহীন করে তুলতো এই পুরনো আমলের আর্টিলারি সিস্টেম।তাই কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পরই এই নিয়ে নিজের বক্তব্য রাখেন স্বয়ং । তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্ৰী কে করা নির্দেশ দেন নতুন অস্ত্রবাহিনী ক্রয় করার জন্য।আর সেই কথামতই খুব দ্রুত কাজ সেরে আজ দুটি নুতন অত্যাধুনিক আর্টিলারি সিস্টেম জয় করে ফেলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, যা দেখে ঘুম উড়ে গিয়েছে জঙ্গি দেশ পাকিস্তান আর চীর শত্রুর দেশ চিনের।

আর আজ এই নুতন অস্ত্রবাহিনী এসে যাওয়ার সেই পুরনো কামান এর কোনো প্রয়োজনই রইল না।ভারতীয় সৈন্যবাহিনীতে যুক্ত হওয়া অত্যাধুনিক দুটি কামানের মধ্যে প্রথমটি হলো আমেরিকার M777 howitzer,আমেরিকা থেকে আগত এই কামান প্রণালী কে পৃথিবীর সব থেকে আধুনিক ও শক্তিশালী প্রণালী বলে মনে করা হয়।আফগানিস্তান ও ইরাক এর যুদ্ধের সময় এই কামানের দক্ষতার পরিচয় আমরা সবাই পেয়েছি।‌‌২০১৬ সালে ভারত সরকার আমেরিকার থেকে ১৪৫টি M777 কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেন।যার বর্তমান মূল্য অনুমানিক ৫০০০ কোটি টাকা।

আজ আনুষ্ঠানিক ভাবে এই কামান ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যুক্ত হলেও সমস্ত আর্টিলারি সিস্টেম প্রদানের জন্য ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।মোট ১৪টি রেজিমেন্ট বানানো হবে যা চিন ও পাকিস্তান সীমানায় মোতায়েন করা হবে।
এই কামানের বিশেষত্ব হলো এটি অন্য কামানের তুলনায় খুবই হালকা,যার ফলে একে সীমান্তে নিয়ে যেতে হেলিকপ্টার বা অন্য বাহনে করে নিয়ে যেতে কোনো অসুবিধা হয়না।এই কামানের রেঞ্জ২৮-৩০ কিলোমিটার।এটি পাহাড়ী এলাকায় গোলা বর্ষনের জন্য বিশেষ ভাবে খ্যাত। ভারত ছাড়া আমেরিকার আরো ৪মিত্র দেশ এই কামান ব্যাবহার করে।

এটিকে মোদি সরকারের make in india প্রকল্পের সব থেকে বড়ো সাফল্য বলা যায়।কারণ এই কামান আমাদের ভারতে তৈরি ও বেসরকারি সংস্থার দ্বারা বানানো প্রথম সামরিক অস্ত্র। এটিকে বানিয়েছে ভারতীয় সংস্থা L&T।অনুমানিক 4500 কোটি টাকা দিয়ে মোট ১০০টি কামান কেনার চুক্তি হয়েছে এই সংস্থার সাথে।এই কামানের সব থেকে বড় ভূমিকা হলো একে নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনো আলাদা গাড়ির প্রয়োজন হয় না কারণ ট্রাঙ্কের মতো এই কামানের ইন্টিগ্রেটেড ভেহিকল থাকে যাকে চালিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়।

এই কামান আসলে বানিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা সামসুং(samsung) কোম্পানি।পরে এই সংস্থা কে বিক্রি করে দেয় hanwaha techwin নামের অন্য সংস্থা কে।অন্যান্য দেশে k-৯ thunder নামে পরিচিত এই অস্ত্রবাহিনী ভারতে বানানোর লাইসেন্স পাই L&T সংস্থা।এবং এর নতুন নাম হয় k-৯ । এছাড়াও সেনাবাহিনীতে বহু অত্যাধুনিক পরিবহনের জন্য গাড়ি নিযুক্ত করা হয়েছে যেগুলোর দ্বারা এই আমেরিকার অস্ত্রবাহিনী পরিবহন করা সক্ষম।