Press "Enter" to skip to content

জ্বালানি নিয়ে আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির দাদাগিরি কমাতে বড়ো পদক্ষেপ নিতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী |

দেশের খবর : এবার ( ) জ্বালানি নিয়ে এক বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছেন !

২০১৪ সালে বিজেপি দলের নেতৃত্ব নরেন্দ্র মোদীকে পার্থী ঘোষণা করার আগেই করার পূর্বেই দেশ জুড়ে ‘গুজরাট মডেলের’ প্রচার করা হয়েছিল৷ ‘গুজরাট মডেল’টির অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল ‘চারনক সৌর বিদ্যুৎ’ উৎপাদন কেন্দ্র যা বিজেপির রাজনীতিকের প্রভাবিত করে৷ এবার সেই নীতি প্রয়োগ করে আরব ওয়ার্ল্ডের দেশগুলির উপর ভারতের নির্ভরতা কমিয়ে দিতে চাইছে মোদী সরকার। ইতিমধ্যে সরকার রাস্তায় পেট্রোল ডিজেল চালিত বাসের বিকল্প খুঁজে নিয়েছে এবং তার উপর কাজ শুরু করে দিয়েছে। ২০১৪ সালের পূর্বে শুধু ভারতেরই নয়, শান্তাপুর জেলার চারনকে এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। এবার সেই সৌর শক্তির হাত ধরে শক্তিতে সাবলম্বী হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে দাদাগিরির হাত থেকে দেশকে মুক্তি দিতে চাইছে এই সরকার বলে পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে৷

মনে করা হচ্ছে ভারত আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে নিজের প্রয়োজনীয় শক্তির প্রায় ৪১ শতাংশ উৎপন্ন হবে এই সৌরবিদ্যু থেকেই৷ আর এটা করতে পারলে ‘সূর্যে’র সাহায্যেই জীবাশ্ব জ্বালানি ব্যবহার কমাতে সক্ষম হবে ভারত সরকার বলে মত বিশেষজ্ঞদের।আন্তর্জাতিক সৌরজোট হল ভারতের উদ্যোগে গৃহীত ১২১টিরও বেশি দেশের জোট।

এই দেশগুলির মধ্যে অধিকাংশই হল সূর্যকিরণে পুষ্ট এবং দেশগুলি সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখার মধ্যে অবস্থিত।
এই আন্তর্জাতিক সৌরজোটের প্রধান ও একমাত্র লক্ষ্য হল জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ান।

ওয়েম্বলে স্টেডিয়ামে ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে এক বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রথম এই উদ্যোগ নেন যেখানে সূর্যকিরণ পাপ্ত দেশগুলিকে উনি ‘সূর্যপুত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। জানিয়ে দি, এটা একটা চুক্তিনির্ভর আন্তসরকারী একটি সংগঠন। যে সমস্থ দেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের বাইরে থাকে সেই সব দেশ এখানে যোগদান করে সমস্থ সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারে।