Press "Enter" to skip to content

ভারতের বাহুবলি স্যাটেলাইটের জন্য অশান্ত হয়ে পড়লো পাকিস্থান ও চীন! কপালে চোখ উঠলো আমেরিকার।

ইসরোর শক্তিশালী যোদ্ধা নামে পরিচিত GSLV MK 3D-2 এর সফল উড়ানের পরেই নতুন রেকর্ড তৈরি করে ফেলেছে। ১৪ নভেম্বর অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে GSAT-29 লঞ্চ করা হয়েছে। এই “GSLV MK 3D-2” লঞ্চ যানের(বাহন) মাধ্যমে। ভারত এখন সেই সমস্থ হাতেগোনা দেশের মধ্যে পড়ে যাদের কাছে ক্ৰায়োজনিক ইঞ্জিন রয়েছে। আসলে বহু সময় আগে যখন এই ইঞ্জিনের জন্য ভারত ,আমেরিকার কাছে সাহায্য চেয়েছিল তখন আমেরিকা সরাসরি সাহায্য করতেঅস্বীকার করেছিল। কিন্তু আজ ভারত নিজের শক্তিতে ক্রায়োজনিক ইঞ্জিন তৈরি করে ফেলেছে। এই এর সাহায্যে শত্রুদের উপর নজর রাখা যাবে।

শত্রু পক্ষ কোনো রকম অঘটন ঘটালে ভারত সাথে সাথে পদক্ষেপ নিতে পারবে। এছাড়াও ভারতের চন্দ্রযান ও মানব মিশন গগন যানের রাস্তাও আরো সহজ হয়ে উঠেছে। এই রকেট মাধ্যমে ৩৪২৩ কিলোগ্রাম এর GSAT -29 যোগাযোগ উপগ্রহ স্থাপন করেছে। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যসমূহের উচ্চ গতির ইন্টারনেট এক্সেস এবং প্রত্যন্ত এলাকায় ফোন করার পরিষেবা পাওয়া যাবে।

ইসরো দ্বারা ছাড়া এই স্যাটেলাইট আজ পর্যন্ত সবথেকে ভারী স্যাটেলাইট।লিকুইড অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন দ্বারা চলমান এই স্বদেশী ক্রায়োজনিক ইঞ্জিনের GSLV MK 3 এর সাথে এটা দ্বিতীয় পরীক্ষন। ইসরো প্রমুখ ডঃ কে সিভান বলেছেন চন্দ্রযানে রকেটের সাথে প্রথম অপেরেশনাল মিশন জানুয়ারি ২০১৯ সালে হতে চলেছে।

সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই যে এই, বাহন তিন বছরের মধ্যে মহাকাশে মানুষ পৌঁছে দেওয়ার জন্য সক্ষম হয় উঠবে। এখন এই এযান সবথেকে ভারী স্যাটেলাইট পৃথিবীর কক্ষ পর্যন্ত পৌঁছানোর রেকর্ড বানিয়েছে। বিশ্বের সমস্থ দেশ এই বিষয়ে ভারতের উপর নজর রেখেছিল কারণ এত ভারী স্যাটেলাইট পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছানো খুব কঠিন একটা ব্যাপার ছিল। শুধু এই নয়, আমেরিকা যা সাহায্য করেনি তা আজ ভারত নিজের শক্তিতে করে দেখিয়েছে এটাও ভালোরকম প্রভাবিত করেছে পুরো বিশ্বকে।