Press "Enter" to skip to content

অযোধ্যায় রামমন্দির ধ্বংস করার জন্য ক্ষমা চাইলেন মুঘল সম্রাট বাবরের উত্তরাধিকারী! সাথে যা বললেন..

ভরপুর প্রমান ও বিজ্ঞান সম্মত তথ্য পাওয়ার পরেও যারা রাম মন্দিরের অস্থিত নিয়ে সর্বদা প্রশ্ন তোলে, আরো একবার কড়া জবাব পেলো তারা। এবার মুঘল রাজবংশের উত্তরাধিকারী নিজে স্বীকার করলো যে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের অস্থিত ছিল। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী শেষ মুঘল রাজা বাহাদুর শাহ জাফরের বংশধর ইয়াকুব রবিবার দিন হিন্দু মহাসভার জাতীয় সভাপতি স্বামী চক্রপানি মহারাজকে চিঠি লিখেছেন।  চিঠিতে তিনি স্বীকার করেছেন যে অযোধ্যায় রাম মন্দির ধ্বংসকারীরা ছিল তার পূর্বপুরুষ। শুধু স্বীকারোক্তি নয় একই সাথে ১৫২৮ সালে তার পূর্বপুরুষদের করা এই বর্বর কাজের জন্য তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। চিঠিতে লিখেছেন যে বাবরের সেনার কামান্ডোর মির বাকি এই জগন্য কাজ করেছিলেন। তিনি লিখেছেন, “আমি এবং এই অবস্থান থেকে আমি সমগ্র হিন্দু সমাজের কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি আমাদের অন্তর থেকে হিন্দুদের কাছে ও রাম ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি বিষয়টি অত্যন্ত চেতনার সাথে বলছি এবং আমি রাম মন্দিরের পূর্ণনির্মাণের পক্ষে রয়েছি।”

হাবিবউদ্দিন চিঠিতে এটাও লিখেছেন যে ধ্বংসের জন্য বাবর পরিতপ্ত ছিলেন এবং এটাকে কলঙ্কজনিত ঘটনা বলে ঘোষণা করেছিলেন। তিনি ের সাধু, মহাত্মাদের সন্মান জানানোর জন্য বলতেন।  টুসি মুসলিম সমাজকে রাম মন্দির নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করার অনুরোধ করেন। মুসলিমদের দেওয়া পিটিশন ফেরত নেওয়ার জন্য বলেন হাবিবউদ্দিন, যাতে সমাজে একটা ঐক্যের উদাহরণ তৈরি করা যায়।

প্রসঙ্গত, আরকোলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া(ASI) জানিয়েছে যে ১৫ সেঞ্চুরির বাবরি মসজিদের নীচে রামমন্দিরের ধ্বংসাবশেষ ছিল এবং রামমন্দিরের পিলার দিয়েই মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। বহুবছর আগেই রামমন্দির নির্মাণ সম্ভব হতো কিন্তু কংগ্রেস ও বামপন্থীরা বরাবর ইতিহাস লুকিয়ে হিন্দুদের ধর্মনিরপেক্ষতার জ্ঞান দিয়ে গেছে এবং নিজেদের ভোট ব্যাঙ্ক তৈরি করেছে।

এখনো কংগ্রেস নিজেদের উকিল প্রয়োগ করে রামমন্দির তৈরিতে বাধা প্রদানের কাজ করে চলেছে। কিন্তু বর্তমানের সরকারের উদ্যোগে এই বিষয়ে কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। আদালতও এই মামলা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমাধান বের করা যায়নি এই কারণে দেশ এই নির্ণয় আদালতের হাতেই ছেড়ে দিয়েছে।