Press "Enter" to skip to content

হরিদ্বারে কট্টরপন্থীদের দাপট শুরু! ৬২ হিন্দু পরিবার পলায়ন করলো হিন্দুদের তীর্থস্থল হরিদ্বার থেকে।

কোনো আব্দুল গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনি খেলে, মিডিয়া সেটা নিয়ে দেশ উত্থাল করে দেয়। কিন্তু হিন্দুদের বিরুদ্ধে যে চক্রান্ত লাগাতার চলছে তা নিয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়না কোনো মিডিয়া। হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান ে এবার হিন্দু সংখ্যালঘু হওয়ার পক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। ভারতে ইসলামিক দেশ করার যে চক্রান্ত isis ও দেশের ভেতরের কিছু কট্টরপন্থী শুরু করেছে তাতে সামান্য সাফল্য পেতে শুরু করেছে দেশবিরোধীরা। আফগানিস্থান থেকে হিন্দু পালিয়েছে, পাকিস্থান থেকে হিন্দু পলায়ন করেছে, থেকে পলায়ন করেছে, কৈরানা থেকে পলায়ন করেছে এখন েও সেই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিগত ২০ বছর ধরে ে জনসংখ্যা জিহাদ,অতিক্রম জিহাদ চলছে। এবার ে হিন্দু সংখ্যালঘু হওয়ার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

মিডিয়া খবর লুকিয়ে রাখলেও জানিয়ে দি, হরিদ্বারে মুসলিম সংখ্যা ৪০% পৌঁছে গেছে। কিছু কিছু এলাকায় মুসলিম জনসংখ্যা ৭০% পার করে গেছে। এখন এর প্রতিক্রিয়া দেখা দিতেও শুরু হয়েছে। হরিদ্বারের একটা বড়ো গ্রাম যার নাম ধানপুরা, সেখান থেকে ৬২ হিন্দু পরিবার পলায়ন করেছে। সাধ্বী প্রাচী বলেছেন, এই গ্রামে মুসলিম জনসংখ্যা ৬০% পেরিয়ে গেছে। হিন্দুদের উপর অট্টাচার শুরু হয়ে গিয়েছে যার জন্য ৬২ টি হিন্দু পরিবার গ্রাম ছেড়ে পলায়ন করেছে।

সাধ্বী প্রাচী বলেছেন, তিনি ধানপুরার হিন্দুদের সাথে কথা বলেছেন সেখান হিন্দুরা খুব ভয়ভীতি হয়ে রয়েছে। সবথেকে খারাপ স্থিতি হিন্দু মহিলা ও মেয়েদের রয়েছে, যারা বাড়ি থেকে বেরোতে পর্যন্ত ভয় পাচ্ছে। এই গ্রামে হিন্দু সংখ্যা আগে বেশি ছিল কিন্তু দেখতে দেখতে মুসলিম সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পাকিস্থানের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এখন হিন্দুরা পলায়ন করতে শুরু করে দিয়েছে। সাধ্বী প্রাচী বলেন, স্থানীয় প্রশাসন সম্পুর্ন জিহাদিদের হাতের মুঠোয় হয়ে গেছে যে কারণে এখানে হিন্দুরা কোনো সুরক্ষা পাচ্ছে না ।

সাধ্বী প্রাচী বলেন উনি স্থানীয় প্রশাসনের ভরসা না করে সরাসরি উত্তরখন্ড এর মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ধানপুরা গ্রামের বাপরে আলোচনা করবেন।পুরো হরিদ্বার জেলায় মুসলিম সংখ্যা ৪০% পার হয়ে গেছে। অমরনাথ যাত্রায় তীর্থ করতে যাওয়ার আগে এখন যেমন হিন্দুদের ১০০ বার ভাবতে হয় , আর কিছু বছর পর হরিদ্বারেরও একই অবস্থা হবে। ১০ বছরের মধ্যে হরিদ্বারে হিন্দু সংখ্যা লঘু হবে যারপর এখানে বিধায়ক থেকে সাংসদ সকলেই মুসলিম হবে।