Press "Enter" to skip to content

নুসরাত জাহানকে হত্যা করতে হবে নাহলে ইসলাম বিপদে পড়বে: হাসান লস্কর, কংগ্রেস নেতা।

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপূজায় রাজনৈতিক ও ধার্মিক দ্বন্দ হবে না এমনটা এখন ভাবাই যায় না। এ বছর পুজোয় পশ্চিমবঙ্গে দুটি বিতর্ক সামনে এসেছে। যা রাজনৈতিক ও ধার্মিক দুই ভাবেই আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রথম ক্ষেত্রে কলকাতায় পরেশ পাল নামের এক তৃণমূল নেতার নেতৃত্বে দুর্গাপুজা প্যান্ডেলে আজান বাজানো হয়। মা দুর্গার সামনে বাজিয়ে দেওয়া হয় আজান। এটা দেখে বামপন্থী, সেকুলার ও তথাকথিত উদারপন্থীরা খুশিতে মেতে উঠে। একমাত্র হিন্দুত্ববাদীরা ও মা দুর্গার ভক্তরা এই ঘটনার নিন্দা জানায়। কারণ দেবী দুর্গার সামনে আজান বাজানোর অর্থ মা কে অপমান করা। আজানে বলা হয় যে, আল্লাহ ছাড়া আর কোনো কিছু ঈশ্বর নেই। মা দুর্গার সামনে আজান বাজানোর অর্থ সরাসরি মা কে অপমান করা।

অন্যদিকে দূর্গাপূজায় আরো এক ঘটনা ঘটে যা নিয়ে তুমুল চর্চা হয়। আসলে তৃণমূলের সাংসদ নুসরত জাহান দেবী দুর্গার পূজো করতে পৌঁছেছিলেন। একেবারে হিন্দু সাজে সজ্জিত হয়ে মা দুর্গার প্যান্ডেলে পৌঁছেছিলেন নুসরত জাহান। যারপর রীতিমতো রেগে লাল হয়ে যায় দেশের কট্টরপন্থীরা। জানিয়ে দি, বিয়ের পর প্রথম দুর্গাপূজা উৎসবের সঙ্গে পালন করেছেন তৃণমূল নেত্রী নুসরাত জাহান। উনি স্বামী নিখিল জৈনকে সঙ্গে নিয়ে দুর্গা পূজামণ্ডপে গিয়ে অষ্টমীর অঞ্জলি দিয়েছেন। একসাথে দু’জনে মিলে ঢাকও বাজিয়েছেন। এটা দেখেই রেগে উঠে দেশের কট্টরপন্থীরা।

দেশের ইসলামিক কট্টরপন্থীরা নূসরাতের উপর ফতোয়া জারি করতে থাকে, হত্যার হুমকি দেয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইসলামিক জেহাদীরাও সক্রিয় হয়ে গালি গালাজ শুরু করে। অন্যদিকে যারা প্যান্ডেলে আজান শুনে খুশি হচ্ছিল তারাও হতাশ হয়ে পড়ে। এক ইমাম বলেন, ইসলামে আল্লাহ ছাড়া কারোর ইবাদত করা হারাম। নুসরত দুর্গাপুজা করে ইসলামের বিরোধিতা করেছে। অন্যদিকে এই ইস্যুতে কংগ্রেস পার্টিও হাত ধুয়ে মাঠে নেমে পড়ে।

 

কংগ্রেসের ন্যাশনাল সোশ্যাল মিডিয়া কনভেনর হাসান লস্কর লিখেন, ইসলামকে বাঁচাতে হলে নুসরাত জাহানকে মেরে ফেলতে হবে। নুসরাতকে না মারলে ইসলাম ধর্ম সংকটে পড়বে বলে মন্তব্য করেন হাসান লস্কর। জানিয়ে দি, হাসান লস্কর এর আগে কাশ্মীর নিয়ে আপত্তিজনক মন্তব্য করেছিলেন। হাসান লস্কর বলেছিলেন, কাশ্মীর হিন্দুদের জমি হতে পারে না। হিন্দুরা কাশ্মীরে গেলে লাশ ফেলে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন কংগ্রেসের ন্যাশনাল সোশ্যাল মিডিয়া কনভেনর হাসান লস্কর।

you're currently offline