Press "Enter" to skip to content

হিন্দু উৎসবের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করতে গিয়ে আদালতের কাছে জোর ধমক খেল এই বুদ্ধিজীবী তথা সামাজিক কার্যকর্তা।

যেমন যেমন অনুষ্ঠান সামনে আসতে থাকে তেমন তেমন ও অর্বান নকশালীরা তাদের বিরোধী গতিবিধি করতে শুরু করে দেয়। সামনে আসার সাথে সাথে নকশালীরা ে গিয়ে করতে শুরু করে। সত্যি বলতে এখন তো ের কিছু অংশেও নকশালীরা কব্জা বসিয়ে নিয়েছে যার কারণে তাদের সাফল্যও দিন দিন বেড়েই যায়। কিন্তু সমস্থ জায়গায় এখনো তথাকথিত সামাজিক কার্যকর্তা অর্থাৎ অর্বান নকশালীরা জায়গা করে নিতে পারেনি অর্থাৎ সেখানে বিচার ব্যবস্থা নিরপেক্ষ ভাবেই সম্পন্ন হয়। জানিউই দি, কোর্টের নাগপুর বেঞ্চ অর্বান নাকশালীদের বেশ বড়ো ধমক দিয়েছে। কারণ অর্বান নকশালীরা আরো একবার ের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করতে হাজির হয়েছিল।

কোর্ট অর্বান নকশালীদের ধমক দিয়ে বলে, ‘ পিটিশন দায়ের করার জন্য আপনার কি শুধু হিন্দু উৎসবকেই পেয়ে বসেন?’ জাস্টিস বিজয় ভূষণ ও জাস্টিস বিজয়দেশ পান্ডের বেঞ্চের সামনে হিন্দু উৎসবের ব্যাপারে পিটিশন এসেছিল।যেখানে বলা হয়েছিল মহারাষ্ট্র সরকার হিন্দু উৎসবে টাকা খরচ করছে এটা বন্ধ করতে হবে। যুক্তি হিসেবে ভারত সেকুলার অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষ দেশ বলা হয়েছিল। এরপর দুই জাজ পিটিশন দায়ের কর্তাকে কোর্টের মধ্যেই ধমক দেন।

জানিয়ে দি পিটিশন দায়ের কর্তার নাম জোনার্ধন মুন। আদালত বলে, সরকার তো অন্য ধর্মের উৎসবেও টাকা খরচ করে কিন্তু তোমরা শুধু হিন্দু ধর্মের উৎসবেই কেন পিটিশন দায়ের করতে চলে আসো?আদালত ওই ব্যাক্তির পিটিশন খারিজ করে দেন। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, এই জোনার্ধন মুন আগে হিন্দু ধর্মাবলীর ব্যাক্তি ছিলেন এখম টাকা নিয়ে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহন করেছেন। এখম টাকার জন্য আদালতে হিন্দু উৎসবের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করতে হাজির হয়েছিল। কিন্তু বোম্বে ের নাগপুর বেঞ্চ এই শহুরে নকশালী তথা বুদ্ধিজীবীকে বেশ ভালো রকম ধমক দিয়েছেন।

জানিয়ে দি প্রত্যেক বছর হিন্দু ধর্মের উৎসব সামনে আসার সাথে সাথে এই গ্যাং এক্টিভ হয়ে কাজ করতে শুরু করে দেয়। যার জন্য বিদেশ থেকে বহু টাকা ফান্ডিং হয় বলেও ধারণা করা হয়। দিল্লিতে এইভাবেই শব্দ দূষণের দোহাই দিয়ে হিন্দুদের দীপাবলি উৎসবে বাজি ফাটানোয় নিষিদ্ধতা এনে দেওয়া হয়েছিল যার নেতৃত্ব করেছিলেন কেজরিওয়াল। এখন আরো একবার এই গ্যাং এক্টিভ হয়ে কাজে নেমে পড়েছে।