Press "Enter" to skip to content

শরিয়ত আদালতের মতো করে এবার ভারতে হিন্দু আদালত স্থাপন করলো হিন্দু মহাসভা।

আমাদের দেশের মুসলিমদের জন্য আলাদা করে আদালত করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে তারা তাদের নিজস্ব ভাবে তৈরি করা শরিয়ত আইন কার্যকর করেন। মুসলিম দের জন্য আলাদাভাবে আদালত থাকলেও দেশের হিন্দুদের জন্য কিন্তু কোনো আলাদা আদালত নেই। হিন্দুরা মেনে চলেন দেশের সাধারণ আইন। কিন্তু এবার সেটার কিছু পরিবর্তন ভবিষ্যতে দেখা যাবে। তার কারন এবার অখিল ভারতীয় উদ্ধোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে দেশের প্রথম যেটা স্থাপন হয়েছে উত্তরপ্রদেশের মীরাটে। শোনা যাচ্ছে যে সেই আদালতের বিচারকও স্থির হয়ে গিয়েছে। প্রথম বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন পূজা শকুন পাণ্ডে যিনি অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার কেন্দ্রীয় সচিব। আদালতের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ২ অক্টোবর সেই আদালত তাদের সমস্ত নিয়মকানুন সম্ভন্ধে সকল কে জানিয়ে দেবেন।

নিজস্ব জেল এবং ফাঁসি দেওয়ার ব্যবস্থাও করবে বলেও জানিয়েছেন মহাসভা করতিপক্ষ। সেই সাথে ওই একই দিনে দেশের বিভিন্ন এলাকাজুড়ে আরও পাঁচটি হিন্দু আদালত স্থাপন করবে হিন্দু মহাসভা। আর সেই সব আদালতে বিচারপতি নিয়োগ করা হবে একই দিনে। হিন্দু মহাসভার দাবি, তারা বরাবরই এক দেশ এক আইনের পক্ষেই সাওয়াল করে এসেছেন তাই তারা মুসলিমদের জন্য আলাদা করে বানানো শরিয়ত আইনের বিরোধীতা করেছেন প্রথম থেকেই।

তারা আরও দাবি করেন যে তারা সেই শারিয়ত আইন বাতিল করা জন্য অনেকবার সরকারের দারস্ত হয়েছিল কিন্তু সরকার তাদের সেই দাবি মানতে চান নি। তাই তারা বাধ্য হয়েই হিন্দুদের জন্য আলাদা করে আদালত প্রতিস্থাপন করলেন। সংস্থাটির দাবি, সেই আদালতে পূজা-অর্চনা, হিন্দু বিবাহ, জমি জমা, বিবাহ-বিচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলাগুলির সমাধান করা হবে। এমনকি এই হিন্দু আদালত দোষী সাবস্ত ব্যাক্তিকে কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসির নির্দেশও দিতে পারে। অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার দাবি যে, তাদের এই আদালতের ফলে সুবিধা হবে দেশের মানুষের।

এখনও অনেক কেস ঝুলে রয়েছে অনেক আদালতে। গরিবরা সঠিক সময়ে তাদের ন্যায্য বিচার পাচ্ছেন না। যদিওবা পান তাহলে সেটা অনেক দেরি হয়ে যায় ফলে এই আদালতের মাধ্যমে তারা সঠিক সময়ে ন্যায্য বিচার পাবেন। এছাড়াও নিজস্ব আইনের মাধ্যমে বিচার করা হলে গোটা দেশের হিন্দুদের একত্রিত করে তোলা আরও অনেক সহজ কাজ হয়ে যাবে।
#অগ্নিপুত্র