মাও বা লেনিন নয়, এবার JNU ছাত্রছাত্রীরা জাতীয় হিন্দু আইকনের মূর্তি দেখবে প্রতিটি সকালে !

আরো একবার খবরের শিরোনামে এলো জহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটি, তবে এবার কোনো দেশদ্রোহী কার্যকলাপের জন্য নয়। এবার স্বচ্ছ কাজের জন্যেই খবরে উঠে এলো জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। এতদিন অবধি যে JNU বামপন্থীদের উৎপাত এবং দেশদ্রোহীদের শ্লোগানবাজির জন্য কুখ্যাত ছিল এখন সেই ইউনিভার্সিটির উপর মোদী প্রভাব প্রভাব পড়তে শুরু করে দিয়েছে। আসলে মোদী সরকার JNU এর উপর থেকে বামপন্থী প্রভাব নষ্ট করে দেশপ্রেমী আভাস আনার উপর পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী JNU এর পরিচালন কমিটি ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গনে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি গড়ার উপর মান্যতা প্রদান করেছিল। ইউনিভার্সিটির প্রাঙ্গনে জওহরলাল নেহেরুর মূর্তির সামনে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে। মূর্তি স্থাপনের কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে গেছে এবং এই মাসের মধ্যেই মূর্তির উদ্বোধন করা হবে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এর সাংবাদিকের কাছে ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় JNU এর পরিচালন কমিটির সদস্য জানিয়েছেন যে স্বামী বিবেকানন্দের মতো একজন মহান মানুষের মূর্তি ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গনে দেখে উনি গর্বিত। সাধারণ যেকোনো মানুষের কাছে এই মূর্তি স্থাপন একটা সামান্য ব্যাপার মনে হলেও JNU সম্পর্কে অবগত সচেতন মানুষের কাছে এটা একটা বড় বিকাশের কাজ। এর কারণ এই যে JNU প্রথম থেকেই বামপন্থী ও কট্টরপন্থীদের আঁতুর ঘর হয়ে রয়েছে যেখানে ‘ভারত তেরে টুকরে হঙ্গে’, মার্ক্সবাদ, লেলিনবাদের গল্প চলে এসেছে। এমনকি ইউনিভার্সিটিতে আসা নবীন ছাত্রছাত্রীরাও বামপন্থী গ্যাং এর শিকার হওয়া থেকে রক্ষা পেত না।

সেই স্থানে দাঁড়িয়ে আজ JNU প্রাঙ্গনে স্বামী বিবেকানন্দের মতো একজন সনাতন ধর্মী ব্যাক্তির মূর্তি স্থাপন হচ্ছে, এটা অবশ্যই একটা বড় ব্যাপার। স্মরণ করিয়ে দি, এটা সেই JNU যেখানে একসময় জাতীয় পতাকা লাগানোর জন্য বিরোধ প্রদর্শন করা হতো, সেনার পুরানো ট্যাংক লাগানোর বিরোধিতা করে হতো। তবে বর্তমানে JNU তে মোদী নামক দেশভক্ত স্প্রে বেশ ভলোরকম কাজ শুরু করেছে। মোদী নামক দেশভক্ত স্প্রে এর কারণে JNU এর বামপন্থী গ্যাং পুরো বিলীন হতে শুরু করেছে।

কিছু মাস আগেই সরকার JNU তে WALL OF HEROES নির্মাণ করিয়েছে যেখানে দেশের বীর সেনাদের ছবি লাগানো রয়েছে। মূলত ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বামপন্থী চিন্তাধারা বের করে দেশভক্ত চেতনা প্রবেশ করানো জন্যেই এই কাজ করেছে মোদী সরকার। এখন প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ছাত্রছাত্রীরা লেনিন বা মার্কসবাদী স্মরণ নয়, বরং সেনাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে নিজের পঠনপাঠন শুরু করে। ওয়াল অফ হিরোস নির্মাণের পর JNU ক্যাম্পাসে স্বামীজীর মূর্তি নির্মাণ বামপন্থী শিকড়ে আরো এক বড় আঘাত বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close