Press "Enter" to skip to content

হিন্দু একতার বড়ো সাফল্য! মাত্র ৪ বছরেই আমূল পরিবর্তন নেতা নেত্রীদের।

এখনও অনেক হিন্দু একতার শক্তি ও গুরুত্বের সাথে পরিচিত হয়নি। এই কারণে RSS প্রমুখ মোহন ভাগবতকে আজও হিন্দু একতার গুরুত্ব বোঝাতে হয়। ‘একতাই বল’ অর্থাৎ একতার গুরুত্ব যত তাড়াতাড়ি হিন্দু বুঝতে পারবে ততোই মঙ্গল। একটা বিষয় পরিষ্কার যে যতদিন হিন্দুরা বৃক্ষিপ্ত হয়ে থাকবে ততদিন কোনো সম্মান পাবে না, কিন্তু একজুট হলেই পাবে সম্মান। এটাই মূলমন্ত্র, এইকারনে দেশের সামান্যকিছু হিন্দুরা একত্রিত হয়েছে তার ফল আসতে শুরু করে দিয়েছে। যে যাদব কোনোদিন মন্দির যেতেন না , সর্বদা জালিদার টুপি পড়তেন এবং মুসলিম গামছা উড়াতেন সেই এখন নিজের টুপি বেঁচে দিয়েছেন। এখন প্রতিদিন নিয়ম মেনে মন্দির যেতে শুরু করেছেন এবং বিষ্ণু মন্দির তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

যে হিন্দুদের আতঙ্কবাদী ঘোষণা করেছিল, ভগবান রামকে কাল্পনিক বলেছিলেন, তারাই এখন মধ্যেপ্রদেশে ২৩,০০০০ গোশালা এবং রামপথ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী ব্যানার্জী যিনি মুসলিম তোষণের জন্য খ্যাত উনিও এখন দুর্গাপূজার জন্য ২৮ কোটির ঘোষণা করে ফেলেছেন। কিছু নেতা যারা শুধু মাত্র মসজিদে পা রাখতেন তার এখন নিয়মিত মন্দির যাত্রা ও ভজন শুরু করেছেন। এই সমস্তকিছু কি আপনাআপনি হচ্ছে? না, সবটাই হিন্দু একতার দিকে লক্ষ রেখে হচ্ছে। যেমন যেমন হিন্দুরা এক হচ্ছে তেমন তেমন বিশেষ সম্প্রদায়ের তোষণকারী নেতা নেত্রীরা হিন্দুদের গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে।

হিন্দুরা যদি জাতির নামে বৃক্ষিপ্ত হয়ে থাকে তাহলে কপালে অসন্মান জুটবে কিন্তু যদি একজুট হয় তাহলে পাবে সম্মান। আজ হিন্দুদের জন্য হটাৎ করে নেতানেত্রীরা ভাবতে শুরু করে দিয়েছে সামান্য কিছু হিন্দুর একজুট হওয়াতেই, যদি সমস্থ হিন্দু একজুট হয় তাহলে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য দেশের নেতারাই কোর্টে চারবার ঘুরপাক দেবে। আজ যে নেতারা ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে রাম মন্দির তৈরিএ বিরোধ করছে, হিন্দু এক হলে তারাই রাম মন্দির গড়ে তোলার জন্য ব্যাকুল হয়ে পড়বে।

নিজেদের সম্মান নিজেদের কাছে, একজুট হলে সম্মান পাবে আর জাতি নিয়ে ভেদাভেদ করলে অস্থিতও বিপন্ন হয়ে যেতে পারে। বিজেপির অন্যান কাজের সফলতা দূরে থাক, কিন্তু হিন্দু একজুট করতে সামান্য সফলতা আনতে সক্ষম হয়েছে। উল্লেখ্য, যে সমস্ত নেতারা দেখে হিন্দু সাজতে শুরু করেছে তারা যা দিচ্ছে সেগুলো অবশ্যই গ্রহণ করা উচিত কিন্তু শাসন ক্ষমতা এদের হাতে তুলে দেওয়ার সময় অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।