নোটবন্দির 2 বছর পর বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর খবর ! দেশে ব্ল্যাক মানি কিভাবে কমে গেল জানলে আপনিও নোটবন্দীর সমর্থন করবেন !

মোদী সরকার ২০১৬ সালে ডিসেম্বর মাসে নোটবন্ধী করেছিলেন। তারপর মোদী সরকার জানিয়েছিলেন যে, দেশের এমন অনেক কম্পানী রয়েছে যারা অবৈধ ভাবে লেনদেন করে সেরকম অনেক কম্পানীর খবর আমরা পেয়েছি। সঠিক সময় এলে আমারা সেই সকল কম্পানী গুলির উপর উপযুক্ত ব্যাবস্থা নেব। নোটবন্ধীর পর সরকারকে নানাভাবে আক্রমণ করেন কিছু দেশবিরোধী মিডিয়া। তারা নোটবন্ধীর অনেক মিথ্যা খারাপ প্রভাব মানুষকে দেখাতে শুরু করেন। তাদের দাবি ছিল যে আগে থেকে খবর দিয়ে নোট বন্ধী করা উচিৎ ছিল তাহলে হয়তো সেই সমস্ত মিডিয়া বা মিডিয়া আশ্রিত অবৈধ কম্পানী গুলি তাদের সমস্ত কালো টাকা লুকিয়ে ফেলতে পারত। কিন্তু এবার যে খবর সামনে এল সেটা শুধুমাত্র সেই সমস্ত খবরের চ্যানেল এবং নেতামন্ত্রীদের জন্য যারা মোদী সরকার কে নোটবন্ধীর জন্য দোষারোপ করে বলেছিল যে ভারতীয় অর্থনীতি এই নোটবন্ধীর জন্য একেবারে শেষ হয়ে যাবে। Economics Times এর খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে নোটবন্ধীর যেসমস্ত কম্পানী গুলি সরকারের নজরে এসেছিল যে এই সকল কম্পানী গুলি অবৈধভাবে লেনদেন করছে তাদের মালিকদের কে এবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কারন এই কম্পানী গুলিকে ২০১৬ সালের নোটবন্ধীর পর সরকারের দোষী মনে হয়েছিল।

পিপি চৌধুরী যিনি হলেন মোদী সরকারের কর্পোরেট বিষয়ক রাজ্য মন্ত্রী তিনি বলেন যে, নোটবন্ধীর পর অনেক অনেক অবৈধ টাকা জমা করেছে এইরকম যেসমস্ত কম্পানীর খোঁজ আমরা পেয়েছি যার সংখ্যা ৭৩ হাজার। এরা নোটবন্ধীর পর ২৪০০ কোটি অবৈধ টাকা জমা করেছেন। এছাড়াও ৩.২৫ লক্ষ কম্পানীর রেজিস্টার বাতিল করা হয়েছে বলে বিশেষ তদন্তে জানা গিয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের কর্পোরেট বিষয়ক সংস্থার কাছে প্রথমে ১.৬০ মিলিয়ন কম্পানীর নাম উঠে আসে যাদের উপর সন্ধেহ করা হয়েছিল যে এই সমস্ত কম্পানী গুলি অবৈধভাবে লেনদেন করে। কর্পোরেট বিষয়ক রাষ্ট্র মন্ত্রী পিপি চৌধুরী বলেন যে পরে তদন্ত করে সরকার ৩.২৫ লক্ষ্য সেল কম্পানীকে বন্ধ করে দিয়েছেন যারা এইভাবে অবৈধ লেনদেন করছিল। উনি আরও বলেন যে এই তদন্তের জন্য “ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার” -কে আরও বেশি করে জোর দিতে হবে তাদের তদন্তে যাতে বাকি কম্পানী গুলিকে খুব তাড়াতাড়ি ধরা যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, এইভাবে অবৈধ লেনদেনকারী কম্পানী গুলি কে কোনো দিন ধরা যেত না যদি মোদী সরকার নোট বাতিল না করত। তাই তারা মোদীজির এই সাহসী পদক্ষেপ কে সম্মান জানিয়েছেন।

কংগ্রেস তাদের সুবিধার জন্য ২০১৩ সালে যে ” ইজ অফ ডুয়িং বিজনেসে” আইন চালু করেছিল। মোদী সরকার কালো টাকা ফিরিয়ে সেই আইনে কিছুটা পরিবর্তন আনতে চলেছেন বলেও জানা গিয়েছে। শুধুমাত্র কালোটাকা ফিরিয়ে আনার জন্য মোদীজি এইসকল পদক্ষেন গুলি নিচ্ছেন। মোদীজির এই সাহসী পদক্ষেপের জন্যই এর আগে একবার ৬৫ হাজার কোটি টাকা কালোধন ফিরে পাওয়া গিয়েছে। আর এবার মোদীজির আরেক সাহসী পদক্ষেপ নোটবন্ধীর জন্য মাত্র ২ বছরেই ৭৩০০০ কম্পানীর হদিশ পাওয়া গেল যারা অবৈধভাবে লেনদেন করত।

আপনাদের আরো জানিয়েদি, নোট বন্দির পর থেকে দিন দিন ভারতের ট্যাক্স পেয়ার ( ট্যাক্স দাতার ) পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে অর্থাৎ ভারতের ট্যাক্স সংগ্রহের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে !এরপর মোদী সরকারের GST চালু হওয়ার পর ভারতের ট্যাক্স সংগ্রহের পরিমান অনেক গুন বেড়ে দাঁড়ায় ! যেখানে 2017  অক্টোবর এ 83000 কোটি ট্যাক্স সংগ্ৰহ হয়েছিল, সেখানে 2018 তে অক্টোবর এ 1 লক্ষ কোটি টাকা ট্যাক্স সংগ্রহ করেছে সরকার ! বিরোধী দল কি বলছে বা বিক্রিত বুদ্ধিজীবিরা কি বলছে, সেটা দেখার থেকে রিপোর্ট কি বলছে সেটা দেখা উচিত প্রতিটি ভারতবাসীর !

অর্থাৎ এর থেকে সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে, যেসকল মিডিয়া এবং কংগ্রেস নেতা নোটবন্ধী নিয়ে মোদী সরকারকে দোষারোপ করেছিল এবং সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝিয়েছিল তারা শুধুমাত্র নিজেদের কুকর্মের জন্যই সাধারণ মানুষকে ব্যাবহার করেছে। নিজেদের টাকা ব্যাবহার না করতে পারার জন্য মোদী সরকার কে চাপ দিয়েছে যাতে নোটবন্ধীর সিদ্ধন্তকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কিন্তু মোদী সরকার তা করেন নি এর ফলে দেশের যে সুবিধা হয়েছে এবং এখন হয়ে চলেছে সেটা এতদিনে দেশের জনগণ ঠিক বুঝতে পেরেছে।
যদি আপনিও মোদীজির এই কাজ কে সমর্থন করে থাকেন তাহলে অবশ্যয় একটি শেয়ার করে সকল কে জানিয়ে দিন দেশের ভালোর কথা। ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী।
#অগ্নিপুত্র

you're currently offline

Open

Close