Press "Enter" to skip to content

মন্দিরে ঢুকে হনুমানজির মূর্তি ভাঙলো কট্টরপন্থী! ভাঙচুরের কারণ দেখিয়ে বললো ‘আল্লাহর হুকুম’ ছিল।

তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতা ও উদারবাদীর ছত্রছায়ায় কট্টরপন্থীরা কিভাবে নিজেদের দাপট বাড়িয়ে তুলেছে তার প্রমান এখন হাতেনাতে পাওয়া যাচ্ছে। একদিকে আমির, নাসিরউদ্দিনের মতো লোকেরা দেশেকে অসহিষ্ণু বলে মন্তব্য করতে শুরু করেছে অন্যদিকে হিন্দু বিরোধী কট্টরপন্থীরা তাদের কার্যকলাপে নেমে পড়েছে। ঘটনা উত্তরপ্রদেশের প্রতাবগড় এলাকায় যেখানে মঙ্গলবার দিন এক কট্টরপন্থী হনুমান মন্দিরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। মন্দিরে মধ্যে থাকা হনুমানজির মূর্তিকে ভেঙে টুকরো করে এবং এরপর নামাজ পড়ে এবং ধার্মিক শ্লোগানবাজি করে। সুদর্শন নিউজ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, স্থানীয় লোকজন ওই কট্টরপন্থীকে ধরে ফেলে এবং পুলিশকে খবর দেয়। কিছু স্থানীয় লোকজন কট্টরপন্থীকে জিজ্ঞাসা করে যে সে কেন মূর্তি ভেঙেছে। উত্তরে কট্টরপন্থী জানায় যে এটা আল্লাহ এর হুকুম(নির্দেশ) ছিল তাই সে একাজ করেছে। আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী সে যেকোনো কাজ করার জন্য কি পস্তুত ?এই প্রশ্নের উত্তরে কট্টরপন্থী নিশ্চুপ হয়ে যায় ।

খবর পাওয়ার মাত্র পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয়দের দাবি গ্রেফতার হওয়া কট্টরপন্থীর সাথে আরো দুই জন ছিল যারা পলায়ন করেছে। পলায়ন করা ওই দুই কট্টরপন্থীকে গ্রেপ্তার করার জন্য দাবি উঠিয়েছেন সাধারণ জনতা। পুলিশ সক্রিয়ভাবে এই ঘটনার উপর তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। 

উত্তরপ্রদেশের পুলিশ গ্রেপ্তার হওয়া কট্টরপন্থীকে জেলে ঢুকিয়ে রেখেছে এবং স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছে। এসিপি এস.আনন্দ ঘটনাটিকে গুরুত্ব নিয়ে দেখার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত ধার্মিক উন্মাদী ভাঙচুর চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার উপক্রম করেছিল। কিন্তু স্থানীয়রা মূল অভিযুক্তকে ধরে ফেলে এবং জমিয়ে মারধর করে।

অবশ্য স্থানীয়রা আইন হাতে তুলে না নিয়ে সংবিধান মতে পুলিশের হাতে কট্টরপন্থীকে তুলে দেয়। এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় মিডিয়া সরব হলেও দেশের মেইন স্ট্রিম মিডিয়া ঘটনাকে এড়িয়ে গিয়ে তথাকথিত ধৰ্মনিরপেক্ষতা দেখায়। আসলে ভারতের বেশিরভাগ মিডিয়া বামপন্থী দ্বারা প্রভাবিত হওয়ায় হিন্দুদের উপর অট্টাচার বা হিন্দুদের সাথে হওয়া খারাপ ঘটনা তাদের চোখে পড়ে না।

8 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.