in

পশ্চিমবঙ্গে এই তিনটি ফ্যাক্টরের জন্য বিজেপি জিততে পারে ২০ টির বেশি আসন

পশ্চিমবঙ্গে সাত দফার ভোটে বিজেপি ২০ টি আসনে জয় লাভ করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে। দলের আশা এটাই যে এই সংখ্যা অন্য কোন রাজ্যের আসন কমে গেলে সেটার ক্ষতিপূরণ করবে। যদিও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি এবং রাজ্য বিজেপির নেতা মুকুল রায় ২০ টির ও বেশি আসন দখল করার পরিকল্পনা নিয়ে চলছে।

এরাজ্যে বিজেপি তৃণমূলের সাথে সাথে সিপিএম আর কংগ্রেসের ভোট ব্যাঙ্কেও থাবা বসানোর পরিকল্পনা করছে। বিজেপি বাম মোর্চার দুর্গে বিশেষ করে নজর রাখছে। আর সেই মতেই মঙ্গলবার সিপিএম এর বিধায়ককে দলে টেনে বড়সড় ঝটকা দিয়েছে বামেদের।

এই ২০ টি আসনের মধ্যে ছয়টি scheduled caste অথবা scheduled tribe দের জন্য সংরক্ষিত। তাছাড়াও এই ২০ টি আসনের মধ্যে ৯ টি আসন ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া। যেখানে অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে লড়ার জন্য বিজেপির লাভ হতে পারে। প্রতিটি দফায় প্রধান আসন গুলোতে বিজেপি বিশেষ করে নজর রাখার জন্য ক্যাডারদের কাজে লাগাচ্ছে।

প্রথম দফার নির্বাচনে বিজেপি কুচবিহার (এসসি) আর আলিপুরদুয়ার (এসটি) আসনকে পাখির চোখ করে রেখেছে। দ্বিতীয় দফায় জলপাইগুড়ি (এসসি) আর রায়গঞ্জের আসনকে টার্গেট করে আছে বিজেপি। তৃতীয় দফায় মালদা উত্তর আর বালুরঘাট আসনে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

চতুর্থ দফায় কৃষ্ণনগর আর বোলপুর (এসসি) আসনে নজর রাখছে বিজেপি। পঞ্চম দফায় শ্রীরামপুর, ব্যারাকপুর, বনগাঁ (এসসি) আর হাবরার আসনে বিশেষ নজর রাখছে। এবং ষষ্ঠ দফায় পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম (এসসি) আর মেদিনীপুরের আদিবাসী বহুল আসন গুলোকে নজরে রাখছে বিজেপি। শেষ দফায় কলকাতার দমদম আর বারাসাতের আসনে বিশেষ নজর দেবে বিজেপি।

পার্টির রণনীতি নিয়ে মুকুল রায়কে প্রশ্ন করা হলে উনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সংগঠনকে মজবুত করার কাজ করে আসছি। বিগত কিছু সময় ধরে অনেক প্রকল্পের দাবি উঠছে, আর আমরাও সেটাকে পূরণ করার জন্য কাজ করছি।”

হিন্দু বিরোধীদের মুখে ঝামা ঘষে দিল দেশের সুপ্রিম কোর্ট! উৎসবে বাজি ফাটানো নিয়ে কেন এত প্রশ্ন তোলা হয় জানতে চাইল আদালত!

দল ছাড়ার পর দল থেকে বহিষ্কৃত হলেন সিপিএম বিধায়ক খগেন মুর্মু !