Press "Enter" to skip to content

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদী হেরে গেলে দেশের অবস্থা কি হতে পারে জানলে আপনিও কেঁপে উঠবেন।

এখন দেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় থেকে আড্ডার স্থলে সবচেয়ে আলোচ্য বিষয় হল দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন। দেশের সব বয়সের মানুষদের কাছে এটাই সবচেয়ে বড় কৌতুহল। কেউ ভাবছেন মোদীজি থেকে যাবেন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে। আবার কারুর পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন রাহুল গান্ধী। কেউ কেউ তো আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কে সাপোর্ট করছেন। আবার কেউ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিবাল কে এগিয়ে রাখছেন। তবে আজ আমাদের আলোচনের বিষয় এটা নয় যে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে হবেন বরং আজ আমরা আপনাদের এটা বলতে চলেছি যে যদি মোদীজি দেশের প্রধানমন্ত্রী না হন তাহলে দেশের রাজনীতি সহ সাধারন মানুষের জীবনে কি প্রভাব পড়তে পারে। যদি নরেন্দ্র মোদী ২০১৯ এর নির্বাচনে হেরে যান তাহলে-

বুদ্ধিজীবীদের কাছে দেশ পুনরায় সহিষ্ণু
হবে:
ভারতবর্ষে যারা বুদ্ধিজীবী হিসাবে পরিচিত যারা এখন প্রায়ই প্রতিবাদ করেন যে দেশ অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে তাদের কাছে পুনরায় দেশ সহিষ্ণু হয়ে উঠবে। দেশ সুরক্ষিত নয় বলে যারা দেশের বদনাম করেছেন যেমন আমির খান ও উনার স্ত্রী ও আনসারীর তাদের কাছে পুনরায় দেশ বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। কিছু কিছু কবি ও সাহিত্যিক আছে যারা আবার তাদের পুরস্কার ফিরিয়ে নেবেন।

ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দের অপব্যাবহার শুরু:
এক বিশেষ সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষদের ধর্মনিরপেক্ষতার নামে তোষন শুরু হবে। তাদের কে পুনরায় ভোট ব্যাংক হিসাবে ব্যাবহার করা হবে অপর দিকে তাদের উন্নতির দিক টি বন্ধ হয়ে যাবে।

পাকিস্তান আবার বিশ্বজুড়ে নিজেদের মিথ্যা অপপ্রচার চালাবে:
মোদীজি যদি কোনো কারনে হেরে যান। তাহলে পাকিস্তান প্রেমী অনেক নেতামন্ত্রী আবার মন্ত্রী সভায় ফিরে আসবেন। মনিশঙ্কর আইয়ার এর মত নেতা যিনি শুধু মাত্র গদির লোভে, মোদীজিকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোর জন্য পাকিস্তান গিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলে এসেছেন। তার মত নেতাকে কংগ্রেস যে একটা বড়ো পদ দেবে সেই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ফলে দেশের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে সেটা সবারই জানা আছে।

বিশ্বের দরবারে ভারতের মান অনেকটা কমে যাবে:
মোদীজি যদি নির্বাচনে হেরে যান তাহলে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে যে রাহুল গান্ধী বসতে চলেছেন সেটা আর কারুর অজানা নেই। একবার ভাবুন এই রাহুল গান্ধী যিনি নিজের দেশেই ভালো ভাবে সম্মান পায় না। তার বিভিন্ন হাস্যকর মতবাদের জন্য সকল নাগরিকের কাছে তিনি হাসিরপাত্র হয়ে উঠেছেন। তিনি যদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হন তাহলে কি হবে একবার ভেবে দেখুন। তিনি তো ভারতকেও সব জায়গায় বিপদে ফেলবেন।

দেশ দুর্নীতিতে ৭০ বছরের রেকর্ড
ভেঙে দেবে:
নিজেদের ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়ানোর দিক টি নিয়ে দেশের নেতামন্ত্রীরা খুব চিন্তিত থাকবেন। একের পর এক ভয়নকর দুর্নিতি হবে। দেশের সাধারন মানুষ জানতেও পারবেন না যে তাদের করের টাকা কি ভাবে চলে গেল বিদেশি ব্যাংকে। ৭০ বছরে যা দুর্নিতি হয়েছে তার ১০ গুন বেশি দুর্নীতি শুরু হবে দেশে। এত কিছুর পরেও দুর্নীতি গ্রস্থ নেতা মন্ত্রীরা দেশের মধ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াবে। কারন তাদের যে শিক্ষা দেবে সেই রকম লোক আর দেশের মধ্যে থাকবে না।

রাম মন্দির তৈরির ইস্যু আবার লঘু হয়ে যাবে:
বিজেপি সরকার রাম মন্দির নিয়ে যতটা তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেন কংগ্রেস দেশের ক্ষমতায় এলে একটি বিশেষ সম্প্রদায় কে খুশি করার জন্য তারা সেই বিষয় টি পুরোপুরিভাবে ধামাচাপা দিয়ে দেবে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য দিনের পর দিন রোহিঙ্গাতে ভরে উঠবে। রাজ্যে হিন্দুদের বসবাস করা দুরভিসহ হয়ে উঠবে। সেনাবাহিনী কে অপেক্ষা করতে হবে যদি তারা কোনো সন্ত্রাসবাদীদের মারতে চান। কখন কেন্দ্র থেকে নির্দেশ আসবে সেই অপেক্ষা করতে গিয়ে তারা বেঘরে প্রান দেবে। বিদেশ থেকে অস্ত্রশস্ত্র ও মিসাইল কেনা হবে মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্প বন্ধ করে দিয়ে। তাতে অনেক পরিমাণ মুনাফা লাভ করবে অন্য শত্রু দেশ গুলি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যদি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেন তাহলে তাকে গুজরাতবাসী আবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে গ্রহন করবেন কারন তারা জানে যে উন্নতি করার জন্য মোদীজির বিকল্প কেউ নেই। অপরদিকে নরেন্দ্র মোদীজি ভাববেন ‘আমি চেষ্টা করেছিলাম ভারতকে বিশ্ব শ্রেষ্ঠ করার কিন্তু হিন্দুদের মধ্যে একতার অভাব হিন্দুস্থানকে তা হতে দিলো না’। এটা ভেবেই বাকি জীবন কাটিয়ে দেবেন তিনি।
#অগ্নিপুত্র