Press "Enter" to skip to content

‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভয়ে লুকিয়ে বেড়াতেন ইমরান খান।’

পাকিস্থানের প্ৰধানমন্ত্রী পদে আসতে চলেছেন পাকিস্থানের প্রাক্তন ক্রিকেটার ইমরান খান। আপনাদের জানিয়ে রাখি, ইমরান খান পাকিস্থানকে ভারতের মতো করে সাজানোর স্বপ্ন দেখিয়ে এবং কাশ্মীরকে পাকিস্থানের অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশত্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চলেছেন। ইমরান খান পাকিস্থানীদের কাছে যে শুধু ভারতবিরোধী কথা বলে ভোটে জিতেছেন এই নয়, একইসাথে ভোটের প্রচারের প্রথম দিকে মোদীর সততা ও কাজের সুনাম করে ভোট চাইতেন এই ইমরান খান। তবে ইতিহাসে এমন সময় পেরিয়েছে যখন এই ইমরান খান নরেন্দ্র মোদী থেকে লুকিয়ে বেড়িয়েছেন। ইমরান খান যে নরেন্দ্র মোদীর থেকে এড়িয়ে চলতেন তা ইমরান খানের উপর লেখা পুস্তক ‘ইমরান vs ইমরান দা আনটোল্ড স্টোরি’ এ প্রকাশিত করা হয়েছিল।

উদাহরণস্বরূপ কয়েকটি ঘটনাকেও তুলে ধরা হয়েছে ইমরান খানের উপর লেখা বইতে। ২০০৬ সালে যখন নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন সেই সময় এক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইমরান খান। ওই সম্মেলনে বক্তা হিসেবে নরেন্দ্র মোদী ও ইমরান খানকে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। ইমরান খান জানতেন না যে ওই সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদী থাকবেন। ইমরান খান যখন আসনে বসেন তখন দেখেন যে নরেন্দ্র মোদী তার দিকে এগিয়ে আসছে। ওই অবস্থায় সম্পূর্নভাবে হচকচিয়ে গিয়েছিলেন ইমরান খান। নরেন্দ্র মোদীর থেকে চোখ এড়ানোর চেষ্টা করলেও মোদী আচমকায় এসে ইমরান খানের সাথে হাত মেলান। শেষমেষ না চেয়েও হাত মেলাতে হয় ইমরানকে। নরেন্দ্র মোদীকে এইভাবে সামনে দেখে অস্বস্তি বোধ করছিলেন ইমরান খান।

নরেন্দ্র মোদী ইমরান খানের সাথে কথা বলে তাকে তার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। ইমরানের উপর লেখা ওই বইতে বলা হয়েছে যে ইমরান খানের কাছে ওই সময় খুব ভয়ভীতি ও অসস্থিপূর্ন ছিল। কোনো প্রকার নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ওই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিলেন ইমরান খান। কিন্তু সেই সময় তিনি দেখেন কিছু সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফার ওই স্থানে উপস্থিত হয়ে ফটো তুলেছেন যা দেখে ইমরান খানের অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে উঠে।

আসলে নরেন্দ্র মোদীর ছবি পাকিস্থানে খুব খারাপ ছিল কারণ ২০০২ এর দাঙ্গা নিয়ে সেই সময় নরেন্দ্র মোদীর নিয়ে গুজব ছড়িয়েছিল অনেকে যার প্রভাব পাকিস্থানে বেশ ভলোরকম পড়েছিল। আর ইমরান খান এই বিষয়ে বেশ ভয়ভীতি ছিলেন যে যদি মোদী ও ইমরান খানের ছবি কোনো প্রকারে পাকিস্থানের খবরের কাগজে বা পাকিস্থানের মিডিয়ার কাছে পৌঁছে যায় তাহলে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার খারাপ হয়ে যাবে এবং পাকিস্থানের মুসলিমরা কোনোভাবেই ইমরানকে ভোট দেবেন না।