Press "Enter" to skip to content

পাকিস্থানের মোদী হওয়ার চেষ্টা করছিলেন ইমরান খান! মাত্র ২ দিনেই বুঝে গেলেন নিজের ক্ষমতা কতটুকু।

একজন আদর্শ শাসক তিনিই হন যার তন, মন ও আত্মা দৃঢ় থাকবে। কারণ শাসকের তন দুর্বল হলে নিজের সীমা ও সেনাকে সামলাতে অক্ষম হবে, যদি শাসকের মন নির্বল ও অস্থির হয় তাহলে সে নিজের চিন্তা ও সিদ্ধান্ত থেকে নিজেই পরাজিত হবে। আর যদি শাসকের আত্মা নির্বল হয় তাহলে সে নিজের জনগণকে সবল করতে অক্ষম হবে। ইতিহাসে এম আদর্শ শাসকের উদাহরণ অনেক রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে যিনি একজন আদর্শ শাসকের ভূমিকা পালন করছেন তিনি হলেন ের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র । এই সময় ের প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন যিনি আগের মাসেই প্রধানমন্ত্রী পদের শপদ গ্রহণ করেন। এই সময় পাকিস্থানের অর্থব্যাবস্থা খুবই খারাপ হয়ে পড়েছে এবং এটাকে শোধরানোর দাবি প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী প্রচারের সময় বার বার করে এসেছেন। উনি নিজের প্রচারের সময় বহুবার নরেন্দ্র ।মোদীর নাম উল্লেখ্য করেছেন। নির্বাচনী প্রচারে সময় মোদীজির উল্লেখ করে ইমরান দাবি করেছিলেন যে তিনি মোদীর মতো করেই পাকিস্থানের অর্থব্যবস্থাকে মজবুত করবো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অবস্থা এই জায়গায় পৌঁছালো যে ের নিজের দ্বারা নির্বাচিত ইকোনোমিস্ট আতিফ মিয়াকে নিজের হাতেই বের করার মতো অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই সমস্তকিছু উনার শপদ নেওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই হয়েছে। এই অবস্থায় এক নতুন পাকিস্থান গড়ার যে স্বপ্ন দেখিয়েছিল , তার উপরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে।

আসলে আতিফ মিয়াকে ইমরান খানের সরকার নির্বাচিত করেছিল।কিন্তু কথায় আছে ঘি সবার পেটে হজম হয় না, কট্টরপন্থীরা আতিফ মিয়ার তীব্র বিরোধ করতে শুরু করে এবং শেষমেষ বিখ্যাত অর্থশাস্ত্রীকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য বলা হয়। আহমেদি সম্প্রদায়ের যার জন্য কট্টরপন্থী পাকিস্থানীরা বিরোধ করতে শুরু করে এমনকি এই বিরোধের ইস্যু সাংসদেও আনা হয়েছিল। প্রথমে তো ইমরান খানের সরকার দাবি করেছিল যে কট্টরপন্থীদের আগে মাথা নিচু করবে না কিন্তু পরে ২ দিনের মধ্যে বাধ্যতামূলক নিজের সিধান্ত বদলে ফেলেন।

ডন ডট কম ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এ এই বিষয়ে জানানো হয়েছে। আপনাদের জানিয়ে দি, আতিফ মিয়া পাকিস্থানের একজন বিখ্যাত ইকোনোমিস্ট এবং এনার পুরো নাম আতিফ আর মিয়া। ইনি আমেরিকার প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থশাস্ত্রী। আতিফ মিয়া অনেকে বইও লিখেছেন। শুধু পাকিস্থান নয় বাইরের দেশেও ইনি বিখ্যাত অর্থশাস্ত্রী বলে পরিচিত। আতিফ মিয়াকে সরানোর কারণে আন্তর্জাতিক  মহলে উনাকে অনেক লজ্জাজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে।

যে ভাবে নরেন্দ্র মোদী নিজের যুগান্তকারী নীতি ও কঠোর সিদ্ধান্তের দ্বারা ভারতের আর্থিক ব্যাবস্থার ছবি বদলে দিয়েছেন সেই একইভাবে ইমরান খান এক নতুন পাকিস্থান তৈরি করতে চেয়েছিলেন এবং বিশ্বে পাকিস্থানের একটা নতুন ছবি তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু উনাকে শুরুতেই বিফলতার সম্মুখীন হতে হলো, কড়া পদক্ষেপ নিতে পারলেন না ইমরান খান।

পাঠকদের জন্য প্রশ্নঃ ভবিষ্যতে ইমরান খান কি পাকিস্থানের মোদী হতে পারবেন?