Press "Enter" to skip to content

বড়ো খবর: মাত্র ৯ দিনে সর্দার প্যাটেলের মূর্তি থেকে কত আয় হলো জানলে চমকে যাবেন।

কিছুদিন আগেই গুজরাটে সর্দার প্যাটেলের মূর্তি উন্মোচন করেছেন প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই মূর্তি বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে বড়ো মূর্তি যা নিয়ে কিছুজন যখন গর্ববোধ করছেন তখন কিছুজন এই মূর্তির বিরোধে নেমে পড়েছিল। কংগ্রেস ও বামপন্থীরা এই মূর্তিকে অর্থের অপচয় বলে দাবি করেছিল। তবে স্ট্যাচু অফ ইউনিটি মূর্তি নিয়ে এখন যে রিপোর্ট সামনে আসছে তা বিরোধীদেরও অবাক করবে। ৩১ শে অক্টোবর স্ট্যাচু অফ ইউনিটির উন্মোচন করেছিলেন দেশের প্ৰধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ১ নভেম্বর থেকে স্ট্যাচু অফ ইউনিটি দেখার জন্য পর্যটকরা ভিড় জমিয়ে দিয়েছে। শুমাত্র ৯ নভেম্বর অর্থাৎ শুক্রুবার দিন ২৩ হাজার ৬৬৬ জন পর্যটক পৌঁছেছিল। ১ নভেম্বর থেকে শুক্রুবার ৯ নভেম্বরে পর্যন্ত মোট ৭৪ হাজার ৬৭১ জন পর্যটক প্রতিমা দেখার জন্য পৌঁছেছিল।

হাজার হাজার সংখ্যায় পর্যটক পৌঁছানোর কারণে সর্দার প্যাটেল একতা ট্রাস্ট ৯ নভেম্বর পর্যন্ত ১ কোটি ৭৬ লক্ষ ৮৪ হাজার ৪৬৫ টাকার আমদানি হয়েছে(Income of ) !  লক্ষণীয় বিষয় এই যে, স্ট্যাচু অফ ইউনিটি দেখার জন্য পর্যটক সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আগত পর্যটকদের মধ্যে ও মূর্তি নিয়ে বিশেষ উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। প্রতিমা উন্মোচনের পর প্রথম রবিবার অর্থাৎ ৪ নভেম্বর টিকিট বিক্রি করে ১৯ লক্ষ ১০ হাজার ৪০৫ টাকা রাজস্ব আমদানি হয়েছে।

প্রতিমা উন্মোচনে দুদিনের মধ্যে ৪৭৯৬ জন পর্যটক পৌঁছেছিল। এই পর্যটকদের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ৯ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকার আমদানি হয়েছে। সর্দার প্যাটেলের প্রতিমা অবধি পৌঁছানোর জন্য ব্যাক্তি প্রতি ৩৮০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে যার মধ্যে ৩৫০ টাকা গ্যালারি দেখার জন্য ও ৩০ টাকা বাস পার্কিং থেকে মূর্তি অবধি পৌঁছানোর জন্য খরচ করতে হচ্ছে। পর্যটক বিশেষজ্ঞদের দাবি স্ট্যাচু অফ ইউনিটি দেখার জন্য যে হারে পর্যটক সংখ্যা বেড়ে চলেছে তাতে খুব তাড়াতাড়ি সরকার মাসে ১ কোটির বেশি রাজস্ব আমদানি করতে পারবে এবং বিশেষ বিশেষ মরসুমে আমদানি ৩ কোটি পেরিয়ে যেতে পারে।

গুজরাট সরকার স্ট্যাচু অফ ইউনিটি থেকে কিছু দূরেই এয়ারপোর্ট নির্মাণ ও অন্যান্য পরিষেবা প্রদানের উপর লাগাতর কাজ করছে যাতে একটা বিশাল পরিমান পর্যটক টানা যায়। গুজরাট সরকারের দাবি সরকার যেটা আয় করবে সেটা ছাড়াও বহু লক্ষ মানুষ এই মূর্তিকে কেন্দ্র করে রোজকার করতে পারবে। পরবর্তী সময়ে যাতে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রন ও পার্কিং এ অসুবিধা না হয় তার জন্য এখন থেকেই বিশেষভাবে পরিকল্পনা শুরু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত বলো রাখি, দেশের যেসব মিডিয়া মূর্তি তৈরি করতে হওয়া টাকা খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল সেই মিডিয়ারা এখনো অবধি মূর্তি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব নিয়ে নিশ্চুপ।