Press "Enter" to skip to content

ভারতের মিত্রদেশ মালদ্বীপ এবার সরাসরি ধমকি দিলো ষড়যন্ত্রকারী চীনকে।

একটা সময় এমন ছিল যখন ভারতের বিদেশ নীতি, কূটনীতি নিয়ে অন্যান দেশ সমালোচনা করতো। কারণ এত বড় দেশ হওয়া সত্ত্বেও ভারতের তেমন মজবুত বিদেশনীতি ছিল না। অন্যদিকে আজ ভারতের কূটনীতি, বিদেশনীতি পুরো বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। মালদ্বীপে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে চীনের সমর্থক আব্দুল্লা য়ামিনকে হারানোর পর বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলিহ চীনকে কড়া ইঙ্গিত দিয়েছে। সোলিহ বলেন “মালদ্বীপের জমি কোনো ভারত বিরোধী গতিবিধি চালানোর জন্য ব্যাবহার করতে দেওয়া হবে না। মালদ্বীপ হিন্দ মহাসাগরে এক স্থায়ী কারকের ভূমিকা পালন করবে। মালদ্বীপ ও ভারত দুই শতাব্দী ধরে ঐতিহাসিক, সঙ্গস্কৃতিকে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।” বিগত কিছু বছরে ভারত ও মালদ্বীপের সম্পর্কে যে অবনতি হয়েছিল তা নিয়েও দুঃখ প্রকাশ করেন সোলিহ।

ভারত যাত্রার উপর বলতে গিয়ে উনি বলেন, আমি খুব খুশি যে প্রথম বিদেশ যাত্রার জন্য আমি ভারতকে বেছে নিয়েছি। এটা দুই দেশের মজবুত সম্পর্কের প্রতীক। হিন্দ মহাসাগরে সুরক্ষা ও স্থায়যতা নিয়ে আমরা একসাথে আছি।মালদ্বীপে চীনের যে প্রভাব রয়েছে তা নিয়ন্ত্রন করা নিয়েও মন্তব্য করেন সোলিহ। ভারতের প্রশংসা করে সোলিহ বলেন ভারত মালদ্বীপের আর্থিক অবস্থাকে গুরুত্ব দিয়ে তৎকাল আর্থিক প্যাকেজের ব্যাবস্থা করেছিল।

জানিয়ে দি, মালদ্বীপ সামরিক ও রণনীতির দিক থেকে ভারতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন দেশ। মালদ্বীপে যে সময় চীন সমর্থিত রাষ্ট্রপতি আব্দুল্লা ইয়ামিন ছিলেন তখন ভারতকে চাপে ফেলার ভরপুর চেষ্টা করেছিল চীন সরকার। ভারতকে চাপে ফেলানোর জন্য এই নির্বাচনেও চীন চেয়েছিলো আব্দুল্লা ইয়ামীনকে জয়ী করতে।

এর জন্য চীন আব্দুল্লার পার্টিকে আর্থিক সাহায্যের পাশাপাশি কূটনৈতিক সাহায্যও করেছিল। কিন্তু অন্যদিকে মোদী মালদ্বীপে ভারতের গুপ্তচর বাহিনী ও Raw কে সক্রিয় করে কাজে লাগায় যার ফলস্বরূপ চীনের চাল বিফল হয়ে ভারত সমর্থিত রাষ্ট্রপতির জয় হয়। ভারত সমর্থিত রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলিহ মালদ্বীপে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে দিয়েছে। মালদ্বীপ এখন চীন প্রভাবমুক্ত দেশে পরিণত হয়েছে। জানিয়ে দি রাষ্ট্রপতি সোলিহ এর শপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদী পৌঁছে ছিলেন এবনভ ভারত ও মালদ্বীপ সম্পর্কের বার্তা দিয়েছিলেন। বর্তমানে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতির বার্তা থেকে এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে এবার মালদ্বীপে চীনের আচ্ছে দিন আসার কোনো সুযোগ নেই।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.