Press "Enter" to skip to content

চরম চিন্তায় পাকিস্থান! এবার সীমান্তে পাকিস্থানকে তাক করে লাগানো হচ্ছে এই বিপদজ্জনক ক্ষেপণাস্ত্র।

এই মুহূর্তে সরকার সবচেয়ে বেশি যে দিকটি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে তা হল দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। কংগ্রেস আমলে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একদম তলানিতে ঠেকে ছিল। সেই জন্য কংগ্রেসের আমলে চিন এবং পাকিস্তান অনেক বেশি সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল জঙ্গি অনুপ্রবেশ করিয়ে কে আক্রমন করার। অনেক ীয় সেনা তখন বেঘরে প্রাণ দিয়েছেন। তাই মোদি সরকার আসার পর দেশের প্রশাসন ব্যবস্থা চাঙ্গা করার জন্য খুব উঠে পড়ে লেগেছে। স্থল,বায়ু, জল সবদিক থেকেই ভারতকে সুরক্ষিত করার শপদ নিয়ে ফেলেছে মোদী সরকার।

সেই লক্ষ্যে এবার পাকিস্তান কে আরও অনেক বেশি চাপে রাখতে মোদী সরকার নিয়ে নিলেন এক বড় সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত খুব ভয়ঙ্কর তবে সেটা পাকিস্তানের জন্য। এবার মোদী সরকার এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে যে, এবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সহ এক বিশেষ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে দুটি বিশেষ গ্রামে। এই গ্রাম দুটিই অবস্থিত পাকিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকায়। সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী এই গ্রাম দুটি হল আলওয়ার এবং পালি গ্রাম। এই দুটি গ্রামই অবস্থিত রাজস্থানের অন্তর্ভুক্ত পাকিস্তান সীমান্তে। জানিয়ে রাখি যে, এই গ্রাম দুটি পাকিস্তান থেকে এতটাই সামনে যে, ইসলামাবাদ অর্থাৎ পাকিস্তানের রাজধানী থেকে মাত্র ৮০০ কিলোমিটার দূরে এই গ্রাম গুলির অবস্থান।

জানা গিয়েছে যে, এই দুটি গ্রামে যে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হবে সেগুলি সম্পূর্ণ ভারতীয় প্রযুক্তিতে করা হয়েছে। অর্থাৎ পুরো দেশীয় মাধ্যমে প্রস্তুত করা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় মোতায়েন করা হবে। এই ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন ব্যবস্থার এতটাই ক্ষমতা যে কোনো শত্রু দেশ যদি আক্রমন করে ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগ করে তাহলে পৃথিবীর আবহমন্ডলের বাইরে বা ভেতর দিয়ে আসা সমস্ত ক্ষেপণাস্ত্র এখানে প্রতিহত হয়ে ফিরে যাবে। এছাড়াও যদি ১০ থেকে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে কোনো শত্রু-ক্ষেপণাস্ত্র আসে তবে সেটাও এই মাধ্যমের সাহায্যে ঘায়েল করা সম্ভব হবে।

এছাড়াও এর যা ক্ষমতা আছে তার সাহায্যে ২০০০ কিলোমিটার পাল্লাতেই যদি কোনো ক্ষেপণাস্ত্র আসে তবে সেটাকেও ধ্বংস করা সম্ভব। ভারত এবং ইসরাইলের যৌথ প্রচেষ্টার ফলেই এই রেডারটি করা সম্ভব হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে অনেক গুলি পরীক্ষা নিরীক্ষা ইতিমধ্যেই করা হয় গিয়েছে। প্রত্যেকটিতে ভারত পেয়েছে সাফল্য। সর্বশেষ আর মাত্র একটি পরীক্ষা বাকি আছে। সেটা করা হবে আগামী বছরের মার্চ মাসে। আর সেই পরীক্ষা সফল ভাবে হয়ে গেলেই এই বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রটি তুলে দেওয়া হবে সেনাবাহিনীর হাতে।
এতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা যেটা হবে সেটা হল অবহাওয়া মন্ডলের বাইরে থেকে যে সমস্ত শত্রুরা আক্রমণ করত সেই ভয় থেকে এখন অনেকটাই নিশ্চিত সুরক্ষা পাওয়া যাবে। খবর মিডিয়ার সামনে আসতেই পাক মিডিয়া এ নিয়ে তোলপাড় শুরু করে দিয়েছে এবং ভারতকে আক্রমণকারী দেশ বলে দোষারোপ করতে শুরু করেছে।
#অগ্নিপুত্র

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.