Press "Enter" to skip to content

ব্রেকিং: আরো ২৩ জন রোহিঙ্গাকে ডিপোর্ট করছে ভারত! এরপর বুদ্ধীজীবীরা মোদী সরকারকে যা বললো শুনলে আপনিও রেগে লাল হবেন।

দেশবাসীর জন্য আরো একটা বড়ো খবর সামনে আসছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী কাল ভারত সরকার আরো ২৩ মুসলিমের ব্যাচ তৈরি করে মায়ানমার বর্ডার পাঠিয়ে দিয়েছে। এই রোহিঙ্গাদের বর্ডার পার করে মায়ানমার পাঠিয়ে দেওয়া হবে তারপর সম্পূর্ন দায়িত্ব মায়ানমার সরকারের। আসাম থেকে এই ২৩ মুসলিমকে ডিপোর্ট করার কাজ শুরু হয়েছে। ভারত থেকে ডিপোর্ট করার আগে সম্পূর্ন অনুসন্ধান করা হয় কারণ আমরা কোনোভাবেই আমাদের নাগরিককে ডিপোর্ট করে দিতে পারি না। আমরা ভুল করেও আমাদের নাগরিককে ডিপোর্ট করতে পারি না যার যার জন্য অনুসন্ধান করতে সময় লাগে। একবার মুসলিমদের মায়ানমারের হাতে তুলে দিলে পরের দায়িত্ব মায়ানমার সরকার। রোহিঙ্গাদের কি করা হবে এর চিন্তা মায়ানমার সরকার করবে। ভারত নিজেদের নাগরিকের চিন্তা করে, রোহিঙ্গাদের চিন্তা করবে না।

কিছুদিন আগেই ৭ জন রোহিঙ্গা মুসলিমকে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাইয়ের পর ডিপোর্ট করা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে যখন ৭ রোহিঙ্গাকে ডিপোর্ট করার জন্য সরকার এগিয়েছিল তখন দেশের ভেতরের দেশদ্রোহীরা সুপ্রিম কোর্টে এই ডিপোর্ট আটকানোর জন্য আর্জি লাগিয়েছিল কিন্তু শেষমেষ কোর্ট সরকারের সাথ দেয়। যারপর ৭ রোহিঙ্গাদের ডিপোর্ট করে। বামপন্থী ও বুদ্ধীজীবীরা রোহিঙ্গাদের ভারতে থাকতে দেওয়ার জন্য সংযুক্ত রাষ্ট্রকে পর্যন্ত হাঁক লাগিয়েছিল।সংযুক্ত রাষ্ট্র ভারতের কাজে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিল, কিন্তু যেহেতু বর্তমান ভারত সরকার যথেষ্ট মজবুত তাই কোনো তোয়াক্কা না করে ৭ রোহিঙ্গাকে ডিপোর্ট করা হয়েছিল।

এখন আর একবার যখন সরকার ২৩ জন ের ব্যাচ তৈরি করে ডিপোর্ট শুরু করেছে তখন তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা জেগে উঠেছে। আমাদের দেশের জনসংখ্যা এমনিতেই বেশি তারমধ্যে কংগ্রেস ও বামপন্থীরা বিদেশী রোহিঙ্গদের ঢুকিয়ে দেশের সীমিত সংশাধনের উপর বোঝা বাড়িয়েছে। কিন্তু মোদী সরকার দেশের উপর বোঝা কম করার উপর কাজ করছে কারণ সরকারের উচিত দেশের নাগরিকের খেয়াল রাখা, বিদেশি নাগরিকের নয়। জানিয়ে দি মোদী সরকার ডিসেম্বরে এক ধাক্কায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গাকে বের করার পক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে।

সুনিত চোপড়া

আর এই খবর মিডিয়া আপনাদের না জানালেও বামপন্থী ও বুদ্ধিজিবিরা আগে থেকেই এই খবর পেয়ে গেছে। এই কারণে ট্রেনে চেপে রোহিঙ্গা অন্য রাজ্যে পালিয়ে যাচ্ছে এমন খবর মিডিয়া দিচ্ছিল। আসলে সম্পূর্ন খবর এই যে, রোহিঙ্গারা ট্রেনে করে কেরালা পলায়ন করছে কারণ সেখানে বামপন্থী সরকার রয়েছে যারা এদের মোদী সরকারের থেকে বাঁচিয়ে নেবে। কেরালায় এমন অনেক মুসলিম বহুল জায়গা রয়েছে যেখানে পুলিশ পর্যন্ত প্রবেশ করতে ভয় পায়। সেইসব এলাকায় এই রোহিঙ্গাদের বসিয়ে কেরালার সরকার ভোট ব্যাংক তৈরি করছে। অন্যদিকে তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা আরো একবার মোদী সরকারের পেছনে লেগে পড়েছে।

বুদ্ধিজীবীরা মোদী সরকারের কাজকে চরম অন্যায় বলে দাবি করেছে। বুদ্ধিজীবিদের দাবি, মোদী যেটা করছে সেটা মানবতা বিরোধী কাজ। ও প্রশান্ত ভূষণ আরো একবার রোহিঙ্গা মুসলিমদের সমর্থনে আদালতে যাওয়ার সিধান্ত নিয়ে ফেলেছে। সুনিত চোপড়া কিছুদিন আগেই রোহিঙ্গা মুসলিম ছাড়া দেশ কুশ্রী বলে দাবি করেছিলেন, তিনি এখন আবার মোদীকে মানবতা বিরোধী বলে মিডিয়ার কাছে দাবি করেছেন। উল্ল্যেখ বিষয়, বিরোধী দল ও তথাকথিত বুদ্ধীজীবীরা দেশে রোহিঙ্গা মুসলিম ঢুকিয়ে রাখার সমর্থন করলেও নিজেদের বাড়িতে একজন রোহিঙ্গাকেও ঠাঁই দেননি।