Press "Enter" to skip to content

চীন, জাপান অথবা আমেরিকা নয়, বিদেশী পুঞ্জি টানার দিক থেকে প্রথম স্থানে ভারত!

নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে দেশ পরিবর্তন হতে শুরু করে দিয়েছে। ভারতকে পুনরায় মহাশক্তি হিসেব প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ভারত সরকার তার সমগ্র জোর লাগিয়ে দিয়েছে। কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশকে বিকাশের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া তো দূর উল্টে দেশের মধ্যে দূর্নীতি, অসচ্ছ বাবস্থ্যাকে প্রশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু মোদীর মাত্র সাড়ে ৪ বছরে ভারত নতুন করে জগতে শুরু করেছে। যার প্রমান এখন হাতে নাতে পাওয়া যাচ্ছে। ইকোনোমিক টাইমস এর অনুযায়ী, বৈদেশিক নিবেশের দিক থেকে ভারত শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে তথা ভারতে বিদেশি নিবেশ সবথেকে বেশি হয়েছে। আমেরিকা,চীনের মতো শক্তিশালী দেশকে পেছনে ফেলে এক্ষেত্রে ভারত প্রথম স্থানে রয়েছে। চীন, জাপান, আমেরিকা কোনো দেশ বিদেশী পুঞ্জি টানার জন্য ভারতের ধারেকাছে আসতে পারেনি। ভারতের ইকোনোমির সাথে তাল মিলিয়ে বিদেশী নিবেশে () দুর্দান্তভাবে এগিয়ে চলেছে দেশের সরকার।

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পরই বিদেশী পুঞ্জি টানার জন্য সরকার বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে বিদেশ যাত্রায় গিয়ে ভারতে ইনভেস্ট করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, আমি মনে করি এখন বিশ্বে অর্থের অভাব নেই। কিন্তু অর্থ কোথায় ইনভেস্ট করবে সেই নিয়ে যারা চিন্তিত তাদের আমি ভারতে আমন্ত্রণ জানাই।

মেক ইন ইন্ডিয়া, ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মতো সিধান্তের নীতি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যা বিদেশি পুঞ্জিকে আকর্ষণ করতে সক্ষম ছিল। বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকারের নীতি এতটাই খোলাখুলি ছিল যাতে যে কেউ দেশের বিকাশের অংশ হতে পারে। শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিদেশ যাত্রার উপর ভিত্তি করেই দেশে ১৫.২ লক্ষ কোটি টাকার বিদেশী নিবেশ এসেছে।

বিগত দুই দশকে এই প্রথমবার ভারত চীনকে টপকে বিদেশী ইনভেস্ট এর দিকে প্রথম স্থানে এসেছে। এখন ২০১৯ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ভারত সরকার বিদেশী নিয়োগের জন্য আরো কিছু বিশেষ নীতির উপর কাজ করছে। সরকার দেশের যুবকদের জন্য লাগাতর কর্মসংস্থান গড়ে তুলে বিদেশী বিনিয়োগকে কাজে লাগানোর উপরেও কাজ চালাচ্ছে।

9 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.