Press "Enter" to skip to content

মোদীর মাস্টারস্ট্রোক! আমেরিকাকে পাত্তা না দিয়ে ইরানের সাথে ব্যাবসা করে কোটি কোটি টাকা মুনাফা কামাচ্ছে ভারত।

সামনে ২০১৯ নির্বাচন যাকে কেন্দ্র করে প্রত্যেক পার্টি  নিজেদের দল শক্তিশালী করার জন্য নেমে পড়েছে। প্রত্যেক পার্টি জনগণকে নিজেদের দিক দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য নেমে পড়েছে। দেশের  বড় রাজনৈতিক দল  কংগ্রেস বিজেপিকে হারানোর লক্ষ্যে জোট করার জন্য নেমেছে। নির্বাচনের লড়াইকে ঘিরে এক পার্টি ওপর পার্টিকে আক্রমণ করা শুরু করে দিয়েছে। তবে এই সময় শুধু ের রাজনৈতিক মহলে নয় আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যবসা বাণিজ্যের লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই আন্তর্জাতিক মহলের লড়াইয়ের পুরো লাভ তুলতে শুরু করেছে। আসলে ের দ্বন্দ্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

with donald trump

একদিকে আমেরিকা ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী বিশ্বের দেশগুলি ইরানের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।বিশ্বের দেশগুলি ইরানের থেকে তেল কেনা বন্ধ করেছে একইসাথে ইরানকে বিভিন্ন দ্রব্য রপ্তানি করাও বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু ভারত আমেরিকার নিষেধাজ্ঞাকে মানতে অস্বীকার করেছে। মোদী সরকার জানিয়েছে যে ভারত ১৩০ কোটির স্বাধীন দেশ তাই কোনো আন্তর্জাতিক চাপ ভারত মান্য করবে না। এর ফলস্বরূপ দুই দুক থেকে লাভবান হচ্ছে ভারত। একদিকে ইরান তেল কেনার জন্য ভারতকে সাবসিডি দিতে শুরু করেছে অন্যদিকে ইরানে খাদ্যদ্রব্য রপ্তানি করেও ভারত লাভবান হচ্ছে।আসলে সমস্থ দেশ ইরানের সাথে বাণিজ্যিক চুক্তি ভেঙে দেওয়ায় ইরানে খাদ্য সংকটের পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য ইরান ভারতের থেকে বাসমতি চাল, ডাল, চিনি, সয়াবিন আমদানি করছে।

ভারত ইরানের প্রচুর পরিমানে খাদ্য রপ্তানি করার সুযোগ পেয়ে ভালো রকম মুনাফা কামাতে শুরু করেছে। শুধু এই নয় ভারত তেল কেনার ক্ষেত্রে ডলারের পরিবর্তন ভারতীয় মুদ্রা ব্যাবহার করছে যার জন্য ভারতীয় মুদ্রা আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী হচ্ছে।যদি আমেরিকা ইরানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা না সরিয়ে নেয় তবে ভারত থেকে ইরানে রপ্তানি হওয়া খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণ বর্তমান রপ্তানি হওয়ার পরিমাণের ২০ গুন হয়ে যাবে। এর সরাসরি লাভ ভারতের কৃষকবর্গ এবং ভারতের অর্থনৈতিক মার্কেট পাবে। ইরান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছে তেলের পরিবর্তে ভারতীয় মুদ্রা প্রদান বন্ধ করে চাল প্রদান করতে যাতে। বিশেষজ্ঞদের মতে এক ঢিলে দুই পাখি মারার কাজ শুরু করেছে। একদিকে ডলারের দাদাগিরি বিনাশ করছে অন্যদিকে ভারতীয় মুদ্রাকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিষ্ঠা করছে।

ভারত সরকার ইরানের এই পস্তাবে রাজি হয়েছে কারণ এতেও ভারত লাভবান হবে। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ভারত থেকে যে সমস্ত দ্রব্য ইরানে যাচ্ছে তার মধ্যে সবথেকে বেশি পরিমাণে যাচ্ছে সয়াবিন ও বাসমতী চাল

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.