Press "Enter" to skip to content

এবার মোদী আমলে ভারতের আর্থিক মজবুতি দেখে চমকিত সংযুক্তরাষ্ট্র সংস্থা।

পুরো বিশ্ব আরো একবার বড়োসড়ো আর্থিক মন্দার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, আমেরিকার বড়ো কোম্পানি ফেসবুক, আমাজন দের প্রায় ১৩৬ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। অন্যদিকে চীনের বড়ো কোম্পানিগুলোকে আরো বেশি পরিণাম আর্থিক ঝটকা লেগেছে। চীনি ইন্টারনেট কোম্পানি TENCENT এর শেয়ার ২৫% কমে গেছে। যার জন্য প্রায় ১৮৩ বিলিয়ন ডলারের ঝটকা লেগেছে। কিন্তু পরিস্থিতে সংযুক্ত রাষ্ট্র ভারতকে দেখে চমকিত হয়ে পড়েছে। নরেন্দ্র মোদীর নীতি ও সুপরিকল্পনার জন্য ভারতের আর্থিক ব্যবস্থায় নতুন পাখানা যুক্ত হয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারত একের পর এক নতুন ঐতিহাসিক রেকর্ড ভেঙে ফেলছে যার পরেও কংগ্রেস ও বামপন্থীরা মিথ্যাঅপপ্রচারে নেমে পড়েছে। কংগ্রেসের দাবি ভারত প্রচন্ড আর্থিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এবং ভারতের অর্থনীতি সম্পুর্ন ডুবতে বসেছে।

সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী ২৯ আগস্ট ভারতের ইতিহাসের সমস্থ রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। নিফটি প্রথমবার ১১৭৫০ টপকে দিতে সক্ষম হয়েছে যেখানে ৩৮৯২০ পৌঁছেগেছে। প্রতিদিন শেযার বাজার যেভাবে রেকর্ড ভাঙছে তা প্রমাণ করে যে মোদী আমলে ভারত আর্থিক দিকে নতুন মাত্রা ছুঁয়ে ফেলেছে এবং দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের কোম্পানিগুলোর আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। নোটবন্ধি ও GST এর মতো বড়ো ও সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আর্থিক ব্যাবস্থার বহু ত্রুটি দূর হয়েছে।

পূর্ববর্তী সরকারের আমলে(এপ্রিল ২০১৪) সেনসেক্স ২২০০০ এর আশেপাশে থাকতো। কিন্তু দুর্দান্ত নীতির মাধ্যমে মাত্র ৪ বছরে কংগ্রেসের ৬০ বছরের রেকর্ড বহু পেছনে ফেলে দিয়েছে।বতর্মান পরিস্থিতিতে যখন পাকিস্থান একটা ড্যাম তৈরির জন্য জনগণের কাছে হাত ছড়িয়ে দিয়েছে তখন ভারত দক্ষিণ অফিকার দেশগুলিকে লোন দিয়ে নিজের আর্থিক মজবুত বিশ্বের সামনে প্রকাশ করেছে। সেনসেক্স কিছুদিনের মধ্যেই আরো কয়েকটি রেকর্ড ভেঙে ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু কংগ্রেসের অৰ্থশাস্ত্রী চিদাম্বরম, মনমোহন ও অধ্যক্ষ রাহুল গান্ধী জনতার মধ্যে এই ভ্রম ছড়িয়ে দিচ্ছে যে ভারতে আর্থিক আপাতকালের মতো পরিস্থিত সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক, IMF, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম এর মত আন্তর্জাতিক সংস্থা ভারতের উপলদ্ধিকে স্বীকার করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে যদি এইভাবে আর্থিক বিকাশ ঘটে এবং ২০১৯ এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জয়লাভ করেন তাহলে ভারতের সেনসেক্স ৪৪,০০০ অবধি পৌঁছে যাবে। যা ভারতের জন্য ঐতিহাসিক উপলদ্ধি ও চমৎকার হবে। আপাতত শেযার বাজার নিবেশকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে এবং একই সাথে কংগ্রেসের বড়ো বড়ো তথাকথিত অর্থস্বাস্ত্রীদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছে।