সেরা খবর : পুরো বিশ্বে ভারতের শক্তি বৃদ্ধির সবথেকে বড় প্রমান এটাই , যে আমেরিকাও এবার ভারতের কথা মানতে বাধ্য হলো !

এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে যে বিষয় নিয়ে খুব আলোচনা হচ্ছে সেটি আমেরিকা ও ইরান এর মধ্যে চলা ঠাণ্ডা লড়াই । ইরান থেকে তেল নেওয়া নিয়ে আমেরিকা প্রায় প্রতিদিনই কিছু না কিছু বিধিনিষেধ জারি করছেন। এবার আমেরিকা আরও একটা নুতন বিধিনিষেধ জারি করল ইরানের উপর। এবার ইরান থেকে তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়ম চালু করা হল বিশ্বের প্রতিটি দেশের উপর। কিন্তু আপনারা জানলে সত্যি অবাক হবেন যে এই কড়া বিধিনিষেধের আওতা থেকে ভারত কে বাইরে রেখেছে আমেরিকা সরকার। তারা ভারত কে এর আওতাভুক্ত করেনি। আপনাদের জানিয়ে রাখি যে গত সোমবার দিনই এই নুতন বিধিনিষেধ চালু করে দেওয়া হয়েছে আমেরিকার তরফে। কিন্তু যখন আমেরিকার বিদেশমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে কেন ভারতের উপর এই বিধিনিষেধ জারি হয় নি তখন তিনি এর উত্তরে বলেন যে, আমাদের ভাতরের উপর পুরো বিশ্বাস রয়েছে।

মূলত ইরানের তেল এবং ব্যাংকিং এর উপর এই বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করেছে আমেরিকা। এর ফলে যেসমস্ত কোম্পানি এবং দেশ ইরানের কাছ থেকে তেল কিনতো তাদের উপর জারি করা হবে এই বিশেষ বিধিনিষেধ।

২০১৫ সালে হওয়া পরমানু চুক্তি তে আমেরিকা কে সরিয়ে রেখেছিলেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম। সেই সময় ডোনাল্ড ট্রাম জানিয়েছিলেন যে, ইরানের পরমানু চুক্তি বিষয়ে আমেরিকা নুতন কিছু নিয়ম আনতে চলেছে। আমেরিকা এও জানিয়েছেন যে, সাইবার আক্রমণ,পশ্চিম এশিয়ায় ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষা ইত্যাদি নানাপ্রকার বৈজ্ঞানীক পরিক্ষা থেকে তারা ইরান কে আলাদা রাখতে চান। আমেরিকা তাদের রিপোর্টে জানিয়েছেন যে, ইরানের কাছে তেল কেনার ব্যাপারে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ভারত ও চীন। তাই আমেরিকার এই নুতন বিধিনিষেধ অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও সেটা ভারতের ক্ষেত্রে হবে না এমনটাই জানিয়েছেন আমেরিকা। তাদের সেই তালিকায় রয়েছে জাপান, ইতালি সহ আরও অন্যান্য দেশ। কিন্তু আমেরিকা ভারতের কাছে আবেদন করেছেন যাতে ভারত ইরান থেকে কিছুটা পরিমাণ তেলের আমদানি কম করে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে আমেরিকা মোদীজির সাহসের কাছে নত হয়েছেন তাই তারা ভারতের উপর এই নুতন বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারেন নি।
#অগ্নিপুত্র

you're currently offline

Open

Close