Press "Enter" to skip to content

বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট! ২০৩০ সালের মধ্যে আমেরিকাকে টপকে মহাশক্তির দিকে এগিয়ে যাবে ভারত।

কংগ্রেস সহ পুরো বিপক্ষের দাবি করছে যে ের অর্থব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে অন্যদিকে সবথেকে দ্রুত বৃদ্ধিপাওয়া অর্থব্যাবস্থা হিসেব সামনে আসতে শুরু করেছে। এই বছর ব্রিটেনকে পেছনে ফেলে পঞ্চম শক্তিশালী অর্থব্যবস্থায় পরিণত হবে। ের এই দুরন্ত বিকাশের কারণ হিসেবে ের যুবকের সংখ্যা, সঠিক নেতৃত্ব ও বিস্তৃত মধ্যমবর্গকে মনে করা হচ্ছে। ব্রিটেনের এক ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ফাউন্ডেশন ের মহাশক্তি হওয়ার সম্ভবনার উপর মোহর লাগিয়ে দিয়েছে। স্টান্ডার্ড চার্টার্ড পিএলসি এর অনুযায়ী ে এই নেতৃত্ব বজায় থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে আমেরিকাকে পেছনে ফেলে বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তিশালী অর্থব্যবস্থায় পরিণত হবে। অন্যদিকে চীন এই তালিকায় প্রথম স্থানে থাকবে। রিপোর্ট অনুযায়ী ২০৩০ এর পর থেকে চীনকে কড়া টক্কর দিতে শুরু করবে এবং ২০৩৫ নাগাদ মহাশক্তি হিসেবে সামনে আসবে।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যে তৃতীয় স্থানে নেমে আসবে। ইন্দোনেশিয়া এই তালিকায় চতুর্থ স্থানে থাকবে। পঞ্চম স্থানে তুর্কি চলে আসবে। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড এর অর্থশাস্ত্রীদের মতে এটা জনসংখ্যার শেয়ার ও GPD উপর লক্ষ করে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী ২০৩০ সালে চীনের অর্থব্যাবস্থার আকার ৬৪.২ ট্রিলিয়ন ডলার হবে। অন্যদিকে ভারতের অর্থব্যাবস্থা ৪৬.৩ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থব্যাবস্থা সম্পন্ন দেশ হবে। আমেরিকা অর্থব্যাবস্থা ৩১.০ ট্রিলিয়ন ডলারের মধ্যে থমকে যাবে। তবে আর্থিক বৃদ্ধির হারের দিক থেকে ভারত প্রথম স্থানেই থাকবে।

জানিয়ে দি ভারত বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে যুবক দেশ যার জনসংখ্যার গড় আয়ু ২৭ বছর। এই বিশেষ সুবিধার জন্য আগত সময়ে ভারত খুবই দ্রুতগতিতে বিকাশ করবে। অবশ্য ভারতের বিশাল জনসংখ্যাকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে সরকার দেশকে সঠিক দিশায় নিয়ে যাবে। লক্ষণীয় বিষয় এই যে, সরকার বা শাসন ব্যবস্থার সাথে আর্থিক উন্নতি নির্ভর করবে এটাও রিপোর্টে বলা হয়েছে। অর্থাৎ যদি সরকারের নীতি এইভাবেই চলে তবেই এই পরিবর্তন দেখা যাবে অন্যথা নাও হতে পারে।

8 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.