Press "Enter" to skip to content

‘ভারতকে পুনরায় বিশ্বগুরু হওয়ার পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।’

আপনারা হয়তো শুনে থাকবেন স্বাধীনতার পর ভারতকে সাপুড়েদের দেশ বলে বিদেশিদের কাছে পরিচয় দিত। এমনকি বিদেশিরা এলে তাদেরকে সাপের খেলা দেখানোর অনেক গল্প সোনা যায়। কিন্তু এমন এক সময় ছিল যখন বিদেশের মানুষের ভারতকে সোনার পাখি বলে অভিহিত করতো। পরে বৈদেশিক আক্রমণের কারনে ভারত দিন দিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েগেছে। কিন্তু ভারত এখন আরো একবার তার পুরানো সঙ্গস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফিরে পেতে উঠে দাঁড়িয়েছে। যার কামান সামলেছেন ২০১৪ তে প্রধানমন্ত্রী পদে আসা প্রিয় নরেন্দ্র । বর্তমানে মোদী সরকারের আমলে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এত দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে যে ধনী দেশের তালিকায় জায়গা করার সাথে সাথে সবথেকে দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাওয়ার তকামাও পেয়েছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে IMF এবং বিশ্বের বড়ো বড়ো সংস্থাগুলি এটা স্বীকার করেছে যে ভারত বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম সবথেকে বড় আর্থিক ব্যাবস্থায় পরিণত হয়েছে এবং বর্তমান সরকার থাকলে খুব তাড়াতাড়ি ভারত ৩ য় স্থান দখল করবে।

যে ভারত আগে শুধু আমদানি করতো সেই ভারত ে ব্রহ্মস এর মত মিসাইল তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করছে। যে ভারত এতদিন নিজেই ঋণ নিত সেই দেশ বৰ্তমানে রাবান্দা ও উগান্ডার মতো দেশদের ৪০ কোটি ,১০ কোটি ডলার ঋণ প্রদান করে বিশ্বে নিজের স্থিতি মজবুত করছে এবং ে একসাথে শয়ে শয়ে মিসাইল পাঠিয়ে দাপট দেখাতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয় সম্প্রতি সংযুক্ত রাষ্টের এক আধিকারিক জানিয়েছেন ২০৩০ এর জন্য যে বিকাশের লক্ষ রাখা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভারতের উপর নির্ভর করবে।

এটা ভারতের জন্য কোনো ছোট ব্যাপার নয় এটা ভারতের একটা বড় উপলদ্ধি। কিছুদিন আগে আরো একটা বড় খবর সামনে এসেছে UNECO থেকে । ভারতকে নিয়ে UNECO একটা বড় সিধান্ত নিয়েছে যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে দেশের জনগণ সকলের মধ্যে খুশির আবহাওয়া সৃষ্টি হয়েছে। জানা যাচ্ছে UNECO ভারতের কুম্ভমেলাকে মানবতার িক ঐতিহ্যবাহী মেলা রূপে ঘোষণা করে দিয়েছেন। যার উপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিদেশ মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ তাদের খুশি ব্যাক্ত করেছেন। নরেন্দ্র মোদী এবং সুষমা স্বরাজ এই বিষয়টিকে ভারতের গর্ব বলেন। প্রধানমন্ত্রী টুইট করে জানিয়েছিলেন, এটা ভারতের জন্য খুবই খুশি ও গর্বের বিষয় যে UNCEO ভারতের কুম্ভমেলাকে ভারতের মর্যাদাপূর্ন ঐতিহ্যবাহী উৎসব বলে ঘোষণা করেছে।

শুধু তাই নয় কংগ্রেস আমলে যে রাম সেতুকে ভেঙে ফেলার কথা ঘোষণা করেছিল সরকার, মোদী সরকার আসার পর হিন্দুদের আস্থার খেয়াল রেখে রামসেতুকে রক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে সড়কার রাম নির্মাণের উপর সমগ্র জোর প্রদান করেছে যা নিশ্চিতভাবে ভারতের পরিচয় বদলে দেবে। মাত্র ৪ বছরের মাথায় মোদী সরকার যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তাতে এটা নিশ্চিত যে ের ভবিষ্যতবাণীকে সত্যি করে ভারত আরো একবার জগৎগুরুর হওয়ার পথে রয়েছে।