ভারতের শত্রুদের খারাপ দিন শুরু! ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে ৫৪ টি হারোপ কিলার ড্রোনের চুক্তি ফাইনাল।

ভারতের কাছে ফাইটার জেটের অভাব নেই। তবে ফাইটার জেট শত্রুপক্ষকে আক্রমন করার সময় খুবই আওয়াজ করে, তাই যদি কোনো সিক্রেট অপারেশন চালাতে হয় তাহলে দরকার পড়ে ড্রোন। যা নিঃশব্দে শত্রুপক্ষের উপর আক্রমণ করে বড় ক্ষতি করে দিয়ে আসতে পারে। ড্রোন খুবই নিশ্চুপভাবে শত্রুপক্ষের এলাকায় গিয়ে ছোটো মিসাইল হামলা করতে পারে। আর বিশ্বের সবথেকে উন্নত মানের মিসাইল রয়েছে রুশের কাছে। ড্রোন তৈরিতে ইজরায়েল মাস্টারি লাভ করেছে। বিগত দিনেই আমরা আমাদের india rag এর পাঠকদের জানিয়েছিলাম যে ভারত ইজরায়েলের সাথে বড় চুক্তি করতে পারে।

এখন সেই সংক্রান্ত একটা বড় খবর সামনে এসেছে। কিলার ড্রোন নামে বিখ্যাত হারোপ এট্যাক ড্রোনের চুক্তিকে ফাইনাল করে দেওয়া হয়েছে। ভারত ইজরায়েলের থেকে ৫৪টি হারোপ ড্রোন কিনবে, শীঘ্রই এই ড্রোনের সাপ্লাই শুরু হয়ে হবে। ভারত নিজের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করার উপর আরো জোর প্রদান করতে শুরু করেছে।

স্মরণ করিয়ে দি, মোদী সরকার কিছুদিন আগেই বাজেটকে বাড়িয়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকা করে দিয়েছে যার প্রভাব এবার হাতেনাতে দেখা দিচ্ছে। মোদী সরকার দেশে ১ টি চিনুক নামিয়ে দিয়েছে একইসাথে ৭২ হাজার নতুন আসল্ট রাইফেল ও ৫৭০০ স্নাইপারের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। হারোপ ড্রোন ইজরায়েলে তৈরি এবং এই ড্রোনের বিশেষত্ব এই যে এটা খুবই চুপিসাড়ে আক্রমন করতে সক্ষম। এমনকি রাডারও এই ড্রোনকে ধরতে হিমশিম খায়।

মজার ব্যাপার এই যে পাকিস্থানের কাছে এমন কোনো রাডার নেই, যেটা এই ড্রোনকে ধরতে সক্ষম হবে। এর অর্থ এবার যদি ভারতীয় পাকিস্থানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে চাই তবে সেনা না পাঠিয়েও আক্রমন করা সম্ভব হবে। এই ড্রোন একবারে ১০০০ কিমি পর্যন্ত উড়তে পারে। এই ধরনের ড্রোনকে খুবই প্রভাবশালী ড্রোন মনে করা হয়। এই ড্রোনের সাহায্যেই কিছুদিন আগে রুশ সিরিয়ার এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে ধ্বংস করে ছিল। শীঘ্রই এই ড্রোন ভারতীয় সেনার হাতে থাকবে এবং সেনা যখন চাইবে পাকিস্থানে ধ্বংসলীলা চালাতে পারবে।

Leave a Reply

you're currently offline

Open

Close