Press "Enter" to skip to content

ডবল সেঞ্চুরি করলো ভারতীয় সেনা! কাশ্মীরে আতঙ্কবাদীদের মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে গেল।

কাশ্মীর উপত্যকায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর অপারেশনে এই বছর নিহত সন্ত্রাসীদের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৭ সালে সেনাবাহিনী এই উপত্যকায় আতঙ্কবাদীদের ধ্বংস করতে অপারেশন চালু করেছিল।২০১৮ তে কাশ্মীর উপত্যকার সন্ত্রাসীদের পিছনে বিশেষ সেনা নিয়োগ করেছে সেনাবাহিনী! মঙ্গলবার উপত্যকায় কাশ্মীরের কেরান খাতে দুই জঙ্গি মারার সাথে সাথে এই বছর মতো নিহত জঙ্গির সংখ্যা ২০০ পেরিয়ে গেছে। ২০১৮সালের পূর্ন হতে এখনো দেড় মাস বাকি আছে এবং এখনো লাগাতার সেনার অভিযান চলছে। এই বছর সেনার অপেরাশনের দরুন মূলত
লস্কর-ই-তৈয়বার হিজবুল মুজাহিদীন এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের জঙ্গি নিহত হয়েছে। এই বছরের সামরিক অপেরাশন এর জন্য লস্কর-ই-তৈয়বারের ৩৩% জঙ্গি মারা গিয়েছে, অন্যদিকে হিজবুলের ৪০% এর বেশি জঙ্গিকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, জাইশ-ই-মোহাম্মদের ৫০% শতাংশ জঙ্গিকে মেরে ফেলেছে সেনা।

এ বছর অনুপ্রবেশেকারী আতঙ্কবাদীদের সাথে স্থানীয় আতঙ্কবাদীরাও মারা গিয়েছে। উপত্যকা থেকে সন্ত্রাসীদের শেষ করতে ভারতীয় সেনাবাহিনী ২০১৭ সালে অপারেশন অল আউট চালু করেছিল। এই সময় সেনাবাহিনী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দুই-স্তরের কৌশল অনুসরণ করে। এক স্তরের কৌশল সেনাবাহিনী বিদেশি সন্ত্রাসীদের মোকাবেলা করার জন্য এবং অন্য স্তরের কৌশল সেনাবাহিনী স্থানীয় সন্ত্রাসীবাদীদের মোকাবেলা করার জন্য। এদিকে, সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনীর মানবতা দৃষ্টিভঙ্গিও লক্ষ করার মতো থাকায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পবিত্র রমজান মাসে জম্মু ও কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্বারা বন্ধ করা হয়েছিল।

এ ছাড়া অমরনাথ যাত্রার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছিল। স্থানীয় জঙ্গিদের যে কোন সময়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তাদের পরিবার এবং মূলধারায় ফিরে গিয়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ছেড়ে দেওয়ার জন্য। এই প্রস্তাবে অনেক জঙ্গি সন্ত্রাসবাদ ছেড়ে বাড়ি ফিরেছিল। সেনার এই অভিযান এই সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার জন্য মহান সাফল্য এনে দেয়।২০১৮ সালের মার্চে সেনাবাহিনী আবু মুত্তিন ও আবু হামাসকে উৎখাত করার ক্ষেত্রে প্রচুর সাফল্য অর্জন করে। ২০১১ সালের 1 এপ্রিলে নিরাপত্তা বাহিনী শপিংয়ের সামির আহমেদ ভাট ওরফে সমীর টাইগারকে হত্যা করে। এরপর মে, জুন এবং জুলাই মধ্যে সামির পদ্দার আবু কাসিম ও আবু মভিয়া মত সন্ত্রাসবাদী আসে।

অক্টোবরে সেনাবাহিনী ২৭জন সন্ত্রাসবাদীকে মেরে ফেলে। এতে মান্নান ওয়ানি, মেহরাজউদ্দীন বঙ্গুর ও সাজ্জার আহমেদ সোফি ছিল মুখ্য।
নিম্নলিখিত সংগঠনগুলির সন্ত্রাবাদীরা এত সংখ্যক জঙ্গি মারা গেছে (১) হিজফবুল মুজাহিদিন – ৪৯,(২) লস্কর-ই-তৈয়বা – ৫৩,(৩) জাইশ-ই-মোহাম্মদ -২২,(৪) আনসার গাজবেত উল-ই-হিন্দ – ০৩,(৫) তেহরিক-ই-মুজাহিদীন / তেহরিক-উল-মুজাহিদিন – ০৬,(৬) আল বদর – ২২,(৭) অজানা – ৫৪,(৮) বিদেশি সন্ত্রাসী – ৪৩,(৯) স্থানীয় সন্ত্রাসীরা – ১০২।