Press "Enter" to skip to content

দেশের টপ ১০ আতঙ্কবাদীকে মেরে ফেললো ভারতীয় সেনা! এবার সেনার টার্গেট জাকির মুসা ও রিয়াজ।

জম্মুকাশ্মীরে সক্রিয় ১০ আতঙ্কবাদীকে শেষ করে দিয়েছে । জম্মুকাশ্মীরে শান্তি বহাল করার জন্য সেনা অপেরাশন অল আউট চালু করেছে যার কাজ খুবই দ্রুতগতিতে শুরু হয়েছে। ২০১৬ সালে হিজবুল মুজাহিদিনের বুরহান বাণীকে মেরে ফেলার পর সেনা অল আউট অপারেশন শুরু করেছিল। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ২০১৭ সালের জুন মাসে টপ আতঙ্কবাদীদের এক তালিকা পেশ করেছিল। কাশ্মীর ঘাঁটিতে ২০ মাসের মধ্যে ১০ টপ আতঙ্কবাদীদের মেরে ফেলেছে। এখন শুধুমাত্র জাকির মুসা এবং রিয়াজ বেঁচে রয়েছে।
যে আতঙ্কবাদীদের ভারতীয় সেনা মেরে ফেলেছে-

১)জুনেদ মাট্টু- এই আতঙ্কবাদী মাত্র ১৮ বছর বয়সে জঙ্গি সংগঠন দখল করেছিল। ১৬ ই জুন ২০১৭ সালে ভারতীয় সেনা আতঙ্কবাদীকে মেরে ফেলে।

২)বাসীর আহমেদ- এই আতঙ্কবাদী জুলাই মাসের ২০১৭ সালে ভারতীয় সেনার দ্বারা দমন হয়।
এই আতঙ্কবাদী মাত্র ১৫ দিন সংগঠনে যোগ দিয়েই মারা যায়।

৩)ওয়াসিম আহমেদ ওরফে ওসমান: ১৩ অক্টোবর ২০১৭ সালে এই আতঙ্কবাদী পুলবামা জেলায় দমন হয়। এই আতঙ্কবাদী এতটাই বিপদজনক ছিল যে এর উপর ১০ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।

৪)আবু দুজানা উরফ হাফিজ: ২০১৭ সালের ১ আগস্ট এই আতঙ্কবাদী সেনার অপারেশন এ মারা পড়ে। লস্করের এই আতঙ্কবাদী দক্ষিণ কাশ্মীরে দাপিয়ে বেড়াতো। এই আতঙ্কবাড়ি কর্ডার ব্রেকার নামেও পরিচিত ছিল।

৫)আবু হামাস: এ ক্যাটাগরিতে সামিল এই আতঙ্কবাদী ১৭ মার্চ ২০১৮ সালে সেনার সাথে মুখোমুখি এক সংঘর্ষে মারা পড়ে। এই কট্টরপন্থী জাকির মুসার আনসার গজবা উল হিন্দ সংগঠনে যুক্ত ছিল। ভারতকে ইসলামিক দেশ করার জন্য দিন রাত স্বপ্ন দেখতো এই আতঙ্কবাদী।

৬)সাদ্দাম: এই কট্টরপন্থী ২০১৩ সালে আতঙ্কবাদী সংগঠন হিজবুল মুজাহিদ্দিন এ সামিল হয়েছিল। ৬ মার্চ ২০১৮ সালে সোপিয়াতে ভারতীয় সেনা এই আতঙ্কবাদীকে মেরে ফেলে।

৭)ইয়াসিনি ইট্রো: সোপিয়ার অভেনেরা এলাকায় এই আতঙ্কবাদী সেনার দ্বারা মারা পড়ে। এই আতঙ্কবাদী হিজবুলের সবথেকে সক্রিয় আতঙ্কবাদী ছিল। ১৯৯৬ সাল থেকে এই আতঙ্কবাদী জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিল।

এছাড়াও আলফাত আহমেদ এবং জিন্নাত উল ইসলাম, শওকত আহমেদ নামের তিন জঙ্গিকে শেষ করে ফেলেছে ভারতীয় সেনা। জানিয়ে দি বিগত বছরে ভারতীয় সেনা আতঙ্কবাদী দমনের দিক থেকে ত্রিপিল সেঞ্চুরি করে ফেলেছে। কিন্তু এই ৩০০ আতঙ্কবাদীদের মধ্যে ১০ জন শীর্ষ আতঙ্কবাদী ছিল যাদের উপর সেনার নজর বহুদিন থেকে ছিল।

6 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.