in ,

নরেন্দ্র মোদীর কূটনীতির কাছে ঝুঁকছে পুরো বিশ্ব! ডলারের তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে ভারতীয় মুদ্রার শক্তি।

কিছু মাস আগে ভারতীয় মুদ্রার দুর্বল হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিল বিজেপি বিরোধী পার্টিগুলি। তবে এখন হটাৎ করেই যেন বিরোধিদের মুখে কেউ লাগাম দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিগত কিছু সপ্তাহ ধরে বিরোধীরা পেট্রোল,ডিজেলের দাম বৃদ্ধি বা ভারতীয় মুদ্রার ভেঙে পড়া নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারেনি। এর কারণ তেলের দামের উপর লাগাম লাগানোর সাথে সাথে এখন  আন্তর্জাতিক বাজারেও ভারতীয় মুদ্রা নিজের শিকড় মজবুত করতে শুরু করেছে। ঘরেলু শেয়ার বাজারে এবং বৃদ্ধি পাওয়া অর্থব্যবস্থায় ভারতীয় মুদ্রা শুক্রুবার দিন আমেরিকি ডলারের তুলনায় ৪৮ পয়সা মজবুত হয়েছে। ৪৮ পয়সা মজবুতি পেয়ে ভারতীয় মুদ্রা ৬৯.৭২ টাকা প্রতি ডলার পৌঁছে গেছে।

ব্যাবসায়ীদের মতে মোদী সরকারের বিশেষকিছু নীতি এবং ইরানের সাথে চুক্তিতে ডলারের পরিবর্তে ভারতীয় মুদ্রা ব্যাবহার করায় এই পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। এক সরকারি আধিকারিক বলেন কাঁচা তেলের বৃদ্ধি পাওয়া দাম এবং এর উপর বিদেশি মুদ্রার প্রভাব নষ্ট করার জন্য ভারতীয় মুদ্রা শক্তিশালী হওয়া খুবই কাজে লেগেছে। অস্থায়ী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিদেশী তহবিল থেকে ১৫৭.৭২ কোটি বিদেশী অর্থভান্ডার নিকাশি করা হয়েছে  অন্যদিকে ঘরেলু সংস্থা থেকে ২৪০.৬০ কোটি মূল্যের শেয়ার ক্রয় করেছে।

বিদেশী  মুদ্রা বাজারে ভারতীয় মুদ্রা ৬৯.৭২ স্তর অবধি পৌঁছেছিল। আগের সপ্তাহেট বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডলারের তুলনায় ভারতীয় মুদ্রা ৭০.২০ স্তরে টিকে ছিল কিন্তু এখন লাগাতর ভারতীয় মুদ্রা নিজের দাপট দেখাতে শুরু করেছে। ভারত সরকার মুদ্রাকে আরো মজবুত করার জন্য লাগাতর প্রয়াস চালাচ্ছে।

মোদী সরকার ইরান ছাড়াও ব্যাবসা ক্ষেত্রে জাপানের সাথে ভারতীয় মুদ্রায় লেনদেন করবে। শুধু এই নয়, রুশ ও UAE এর সাথেও ভারতীয় মুদ্রায় লেনদেন করা নিয়ে বিবেচনা করছে মোদী সরকার। মোদী সরকার ভারতীয় মুদ্রাকে আন্তর্জাতিক স্তরে স্থাপিত করার সাথে সাথে মজবুতি দিতে চাইছে। ডলারের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় ভারত বহুবার নিজের দেশের মূল্যবৃদ্ধিতে উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না। যদি ভারতীয় মুদ্রাকে শক্তিশালী করে স্থাপিত করা যায় তবে বহুবসমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

Leave a Reply

বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য : শুধু হেলিকপ্টার না, আরো অনেক ডিলে কংগ্রেসকে টাকা দিয়েছে মামা মিশেল !!

মোদী সরকারের বড় সিধান্ত! এবার সহজে কর্মচারীদের চাকরি কেড়ে নিতে পারবে না প্রাইভেট কোম্পানিগুলি।