Press "Enter" to skip to content

ফ্রান্সের ঐতিহাসিক ঘোষণা: ভারতীয় নাগরিকদের আর প্রয়োজন হবে না এয়ারপোর্ট ট্রানসিস্ট ভিসা।

মনমোহন সরকারের আমলে আমেরিকা ও অন্যান্য পশ্চিমি দেশের সামনে দুর্বল বলে পরিচিত ভারতকে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কতটা মজবুত করেছে তার তাজা উদাহরণ ফ্রান্সের একটা সিধান্ত থেকেই বোঝা যায়। ফ্রান্সের এই সিদ্ধান্ত বামপন্থী ও কংগ্রেসিদের মাথা নত করিয়ে দেবে যারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ যাত্রায় হওয়া খরচকে নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এইসব বামপন্থী ও কংগ্রেসিরা তো কখনো বিদেশ যাত্রা থেকে পাওয়া সুফলের প্রশংসা করেই না উল্টে বিদেশ যাত্রার খরচ নিয়ে মেতে থাকে। প্রসঙ্গত আপনাদের জানিয়ে রাখি, সম্প্রতি বিদেশ যাত্রা সম্পর্কিত যে রিপোর্ট বেরিয়েছে সেই অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার ৪ বছরে যা খরচ করেছে তা পূর্ব প্রধানমন্ত্রীর ৪ বছরের বিদেশ যাত্রার খরচের সমান। যদিও নরেন্দ্র মোদী, মনমোহন সিং এর থেকে বেশিদিন বিদেশে সফর করেছেন।

ফ্রান্স ভারতের যাত্রীদের নিয়ে একটা বড় সিধান্ত নিয়েছে। এই সোমবার থেকে ফ্রান্স ঘোষণা করেছে যে, দেশে হয়ে গমন করার সময় ভারতীয় পাসপোর্ট ধারকদের আর এয়ারপোর্ট ট্রান্সিট ভিসার প্রয়োজন হবে না। আপনাদের জানিয়ে রাখি ট্রানসিস্ট ভিসা খুব বেশি ৫ দিনের জন্য মান্যতা থাকে। এই ভিসা তখন জারি করা হয় যখন কোনো ব্যক্তিকে তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যেতে হয়।

ভারতে ফ্রান্সের রাজদূত আলেকজান্ডার জেইগলার টুইট করে বলেন যে “আমার এই বিষয়টি জানাতে খুব খুশি হচ্ছে যে কোনো এয়ারপোর্টের ইন্টারন্যাশনাল জোন দিয়ে পার হওয়ার সময় ভারতীয় পাসপোর্ট ধারকদের আর ATV অর্থাৎ এয়ারপোর্ট ট্রানসিস্ট ভিসার প্রয়োজন হবে না।” ফ্রান্সের সেগিন এরিয়ার সাথে ২৬  দেশ সামিল রয়েছে। ফ্রান্সের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের জন্য ভারতীয়দের বহু টাকা বেঁচে যাবে।

তবে শুধু ফ্রান্স নয় সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারতীয় নাগরিকদের ৪৮ ঘন্টা ফ্রী ট্রানসিস্ট ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সুবিধা দুবাই ও আবুধাবীর মতো বড় শহরের গমনের জন্য অনেক লাভজনক হবে। ভারতের নাগরিকদের জন্য এমন এমন সুবিধাদান প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের ফল একথা অস্বীকার করার নয়।