in

PoK তে ভিড় হামলা করছিল, কিন্তু নিজেকে বাঁচানোর জন্য নিরস্ত্র গ্রামবাসীদের উপর গুলি চালাননি অভিনন্দন

সীমান্ত পেড়িয়ে ভারতে ঢুকতে চাওয়া পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমান গুলোকে ধাওয়া করে উইং কম্যান্ডার অভিনন্দন এর মিগ-২১ বুধবার ক্র্যাশ হয়ে যায়। বিমান ক্র্যাশ হওয়ার আগেই তিনি প্যারাসুট নিয়ে ইজেক্ট করেন। তিনি পাকিস্তানের দখলে থাকে কাশ্মীরে গিয়ে ল্যান্ড করেন। সেখানে পৌঁছে তিনি বুঝতে পারেন যে, তিনি এখন পিওকে তে আছেন।

প্যারাসুট নিয়ে অভিনন্দন পাকিস্তানের দখলে থাকে একটি ছোট জলাশয়ে পরেন। পাশের গ্রামের এক বাসিন্দা সেটা দেখতে পেরে আশেপাসের মানুষকে ডাক দেয়। আর সবাই মিলে একত্রিত হয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

তখন সেখানে উপস্থিত এক যুবক ‘পাকিস্তান আর্মি জিন্দাবাদ” এর স্লোগান দিতে থাকে। এরপর উইং কম্যান্ডার বুঝতে পারেন যে তিনি পিওকে তে আছেন। যখন গ্রামবাসীরে অভিনন্দন কে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে থাকে। তখন অভিনন্দন তাঁর পিস্তল বার করে হাওয়ায় গুলি চালায়।

এরপর অভিনন্দন ভারতীয় সীমান্তের দিকে আধ কিমি পর্যন্ত দৌড়ান। ভিড় ওনার পিছু নিয়েছিল। তিনি চাইছিলেন যে, ভিড় যেন ওনার পিছু না নেয়। কিন্তু পিছু নেওয়া ভিড় লাগাতার ওনাকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ছিল। উনি আবার হাওয়ায় ফায়ার করেন। কিন্তু তারপরেও ভিড় ওনার পিছু ছারছিল না।

তখন অভিনন্দন আরেকটি ছোট জলাশয়ে কিছু কাগজ পত্র আর নকশা ডুবিয়ে নষ্ট করে দেন। আর কিছু কাগজ উনি মুখে দিয়ে গিলেও নেন, যাতে পাকিস্তানিরা ভারতের রণনীতি না জানতে পারে।

গ্রামবাসী চাইছিল যে অভিনন্দন ফায়ার করা বন্ধ করে তাঁর পিস্তল যেন ফেলে দেয়। কিন্ত অভিনন্দন সেটা করেননি। আর তখন এক গ্রামবাসী অভিনন্দনের পায়ে পাথর ছুঁড়ে তাকে আহত করে দেয়। অভিনন্দনকে আহত দেখে গ্রামবাসী ওনাকে মারতে শুরু করে দেয়। কিন্তু আমাদের সাহসী পাইলট তাও তাঁদের উপর গুলি ছোড়েননি।

আর কিছুক্ষণ পর পাকিস্তানি সেনা অফিসারেরা সেখানে এসে অভিনন্দনকে গ্রেফতার করে। ওনাকে পাকিস্তানি সেনার ভিম্বের এর সেনা ছাউনিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী মোদীর কূটনৈতিক চাপে কালই পাইলট অভিনন্দনকে ভারতের হাতে তুলে দেবে পাকিস্থান।

জাতীয়তবাদী ভারতীয় পাঠকদের জন্য প্রকাশিত হলো ঋতম !