মিশনারিদের সাথে মিলে গরিব হিন্দুদের ধর্ম পরিবর্তন করছে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকার।

ভারতের হিন্দুরা এতটাই উদার মনের যে, কে আসল হিন্দু আর কে নামধারী হিন্দু এতটুকুও পর্যন্ত বোঝার ক্ষমতা হয়না। বার বার হিন্দু নামধারী ভণ্ডদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দেশকে শেষ করার কাজ করেছে। কথাটা খারাপ লাগলেও এটাই সত্য, কারণ বার বার নামধারী হিন্দুদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে নিজেরাই দেশের ৮ টি রাজ্যে সংখ্যালঘুতে পরিণত(অবশ্য এই রাজ্যগুলিতে সংখ্যালঘু হওয়ার প্রাপ সুবিধা পায় না হিন্দুরা) হয়েছে। কিছু রাজ্যে তো প্রায় সাফ হতে বসেছে নিজেদের উদারতার কারণে। এত বড়ো বড়ো ক্ষতি হয়ে যাওয়ার পরেও যে হিন্দুরা ভন্ডদের চিনতে পেরেছে তা কিন্তু নয়। এই কারণে ১৯৯২ সালে , টেরেসা সংস্থা দ্বারা ধর্মান্তরিত হওয়া অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দেশের রাজধানী দিল্লির ক্ষমতা দিয়ে দিয়েছে। কেজরিওয়াল যিনি টেরেসার মিশনারীতে ৬ মাস কাজও করেছেন তার আসল রূপ ধরতে পারেনি দিল্লীবাসী। কেজরিওয়ালও ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নিজের কাজ করতে শুরু করে দেয়।

দিল্লিতে কেজরিওয়াল মিশনারিগুলির সাথে মিলে গরিব হিন্দুদের ও বিশেষ করে দলিতদের ধর্মপরিবর্তন করার খেলায় নেমে পড়েছে।কেজরিওয়াল ও উনার মন্ত্রী সিশোধিয়া মিশনারিদের সাথে একত্র হয়ে দিল্লির তালকাটরা স্টেডিয়ামে রামবাবু নামক ভন্ডের কার্যক্রম আয়োজন করেন। যার মাধ্যমে দিল্লির গরিব হিন্দুদের ধর্মান্তরণ করা যেত। কিন্তু বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র ও তেজেন্দ্র বাঘার মতো নেতারা এই কার্যক্রমকে আটকে দেন। এরপর কেজরিওয়াল হাইকোর্টের দারস্থ হন এবং মাইলর্ড এই অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়ে দেন। গতকাল এই কার্যক্রম দিল্লির তালকাটোরা স্টেডিয়ামে সম্পন্ন হয়।

কপিল মিশ্র ও তার সহযোগীরা এর বিরোধিতায় ধর্ণায় বসলে কেজরিওয়াল সরকার পুলিশ নামিয়ে দেয়। পুলিশ কপিল মিশ্র ও বাকি বিজেপি নেতাদের হেফাজতে নিয়ে নেয়। কেজরিওয়াল দিল্লির পরিবর্তন করবে বলে ক্ষমতায় এসেছিলেন কিন্তু এখন গরিব হিন্দুদের অন্ধবিশ্বাসের মধ্যে ফেলে ধৰ্মপরিবর্তন করার জন্য নেমে পড়েছেন যেখানে ডেপুটি চিফ মিনিষ্টার পর্যন্ত উপস্থিত থাকছেন। রাজধানী দিল্লিতে এইভাবে খোলাখুলি হিন্দুদের ধর্মপরিবর্তনের কাজ করছে মিশনারি ও কেজরিওয়াল সরকার।

আর যারা প্রতিবাদ করছে তাদেরকে নেওয়া হচ্ছে পুলিশ হেফাজতে। ফ্যামিলি অফ লর্ড যীশুশু নামে এক সংস্থা এই অনুষ্ঠান করিয়েছিল যেখানে রামবাবু ছিলেন মুখ্য অথিতি। প্রসঙ্গত, রামবাবু একজন খ্রিস্টান ধর্মগুরু যিনি নিজের ওয়েবসাইটে দাবি করেন যে প্রত্যেক বছর ১০ লক্ষ হিন্দুকে ধর্মান্তরণের কাজ আমরা করি। জানিয়ে দি, দিল্লির অনুষ্ঠানের টিকিট এই বলে বিলি করা হয়েছিল যে “অন্ধ দেখতে পাবেন, খোঁড়া চলতে পারবে, বোবা বলতে পারবে ।” অর্থাৎ পুরোটাই গরিব হিন্দুদেরকে কুসংস্কারের দিকে টেনে এনে যেনতেন প্রকারে ব্রেইনওয়াশ করে ধর্মপরিবর্তন করার একটা চাল মাত্র।

you're currently offline

Open

Close