Press "Enter" to skip to content

কাশ্মীরে আতঙ্কবাদীদের লাশ খাওয়ানো হবে কুকুরদের! দেশদ্রোহী কট্টরপন্থীদের উপর লাগু কড়া নিয়ম।

বর্তমান যুগে মানব সভ্যতার জন্য সবথেকে বড় অভিশাপ হিসেবে সামনে এসেছে। পুরো বিশ্বকে নরকে পরিণত করার জন্য সবথেকে বেশি দায়ী। বিশেষ কিছু দেশে ীরা খোলাখুলি ঘুরে বেড়াচ্ছে, আবার কিছু দেশ উৎপন্ন করার পুরো দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছে। ভারতের মতো হিন্দুবহুল উদার দেশেও কট্টরপন্থীরা ছড়িয়ে দিতে শুরু করেছে। বিশ্বের নানা দেশ আন্তর্জাতিক বৈঠকে ের বিরুদ্ধে কথা বলে, কিন্তু কোনো দেশ ের উপর তেমন কোনো প্রভাবিত নিয়ম লাগু করতে পারে না। এর কারণ ের মূল উৎস সম্পর্কে কেউ কোনো কথা বলে না। প্রত্যেক দেশ ীদের মেরে ফেলার উপর জোর প্রদান করে কিন্তু ছড়িয়ে পড়াকে কোন দেশ আটকাতে পারে না।

তবে মোদী সরকার আতঙ্কবাদ আটকানোর উপর বড় পদক্ষেপ নিয়েছে যা অনেকটা কার্যকরী হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। আসলে ভারতীয় সেনা কাশ্মীরি ঘাঁটিতে আতঙ্কবাদীদের মেরে ফেলার পর তাদের লাশ পরিবারের হাতে তুলে দেয়। এর ফলে সেই লাশ নিয়ে ইসলামিক কট্টরপন্থীরা জানাজা বের করে এবং মুসলিমদের উপর মিথ্যা অত্যাচারের অভিযোগ তুলে কাশ্মীরের যুবকদের আতঙ্কবাদের প্রতি উস্কানি দেওয়া হয়।

এর ফলে একটা আতঙ্কবাদী শেষ হলেও আরো ১০ টা আতঙ্ক জন্ম নেয়। তবে কিছুমাস আগেই ভারতীয় সেনা সিধান্ত নিয়েছিল এবার থেকে আতঙ্কবাদীদের লাশ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এখন সেই সিধান্তকে লাগানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে। কাশ্মীরের কাকা হিল এলাকায় আতঙ্কবাদীদের লাশ কুকুদের সামনে দেয়। আতঙ্কবাদীদের লাশ তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার পরিবর্তে সেই লাশ কুকুরদের সামনে ফেলে দেওয়া হয়।

ধৰ্মনিরপেক্ষবাদীদের মতে আতঙ্কবাদীদের কোনো ধর্ম হয় না। সেই অর্থে আতঙ্কবাদীদের লাশ যদি তাদের পরিবারের হাতে না তুলে দেওয়া হয় বা ইসলামিক পদ্বতিতে শেষকার্য না সম্পন্ন করা হয় তবে কারোর কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। কাকাহিল এলাকায় আতঙ্কবাদীদের মারা হলে তাদের লাশ কুকুরদের খাইয়ে দেওয়া হয়। লক্ষণীয় বিষয় এই যে স্থানীয় বাসিন্দারাও এই সিধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন।

পাঠকদের জন্য প্রশ্নঃ আতঙ্কবাদীদের লাশের সাথে এমন ব্যাবহার কি উচিত?

 

7 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.