Press "Enter" to skip to content

ISRO গড়তে চলেছে রেকর্ড ! করে দিলো সেই কাজ, যেটা আমেরিকা, চীন ও রাশিয়াও করতে পারেনি

এতদিন যাবৎ এই বিশ্ব মহান ভারতবর্ষকে জানতো কেবল এক শান্ত, সৃষ্ট এবং খুবই দুর্বল দেশ হিসাবে। কিন্তু এই মুহূর্তে সকল শক্তিশালী দেশগুলি কে এক অন্য ভূমিকায় দেখছে। এক অন্য এই মুহূর্তে সবার সামনে উঠে আসছে। আর এই সকল সম্ভব হচ্ছে ভারতবর্ষের বিজ্ঞানীদের তখর বুদ্ধির জন্য। ের উঠতি প্রতিভাদের অনবদ্য বুদ্ধির জন্য এই মুহূর্তে প্রমান করতে চলেছে যে কোনো অংশে কম নয় ! কিছুদিন আগে ের বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার অর্থাৎ একসাথে অনেক গুলি রকেট মহাকাশে লঞ্চ করে সারা বিশ্ব কে অবাক করে দিয়েছিল। আর সেই জন্য প্রতিটি ভারতবাসীর গর্বে মাথা উঁচু হয়ে গিয়েছিল।

এবার সেইরকমই আরেকটি মহান আবিষ্কার ভারতীয়রা করে ফেলেছে। যার জন্য আবার ভারতবাসীর গর্বে বুকটা ফুলে ওঠার কথা। আর সবচেয়ে অবাক করা বিষয় এটাই যে ভারতের চিরশত্রু চীন এবং পাকিস্তান এটা ভেবেই অবাক হচ্ছে যে, ভারত কিভাবে এই আবিষ্কারটি করে ফেলল এত দ্রুততার মধ্যে।আর এই বিরাট আবিস্কারের মধ্যে দিয়ে এই মহাবিশ্বের বড় বড় দেশগুলির কাছে ভারতের মাথা আবার অনেকটা উঁচু হয়ে গেল। চাঁদের ব্যাপারে অনেক দিন ধরে রাশিয়া এবং আমেরিকার বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সংস্থাগুলির অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং গবেষণা করছেন। কিন্তু তারা এতদিন ধরে গবেষণা করার পরেও যে তথ্যটি ঠিকঠাক ভাবে জানতে পারেননি, অবশেষে ভারতের বিজ্ঞানীদের বহুদিনের প্রচেষ্টায় সেই তথ্য সম্বন্ধে সঠিক ধারণা পাওয়া গিয়েছে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি হল চাঁদে জল আছে কি নেই।

এখনো পর্যন্ত আসা তথ্য অনুযায়ী, খবরের ভিত্তিতে এটা বলা যায় যে, অবশেষে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের এটা একটা বিরাট সাফল্য। কারন অনেকদিন ধরে অনেক চেষ্টা করার পরেও যেটা করতে পারেনি আমেরিকা ও রাশিয়ার মতো বড় বড় দেশ গুলির বিজ্ঞানীরা, এবার সেটাই করে দেখালো ভারতের বিজ্ঞানীরা। ভারতের বিজ্ঞানীরা অনেক দিন আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন যে চাঁদে বরফ রয়েছে অর্থাৎ চাঁদে যে বরফ আছে সে সম্বন্ধে সঠিক প্রমান সহ ব্যাখ্যা ভারতের বিজ্ঞানীরা অনেকদিন আগেই দিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু বরফ কিভাবে সম্ভব যদি সেখানে জল না থাকে। তাই সেই ব্যাপারে ভারতের বিজ্ঞানীরা আরও গভীরভাবে গবেষণা শুরু করেন। এবং অবশেষে পেলেন সাফল্য, এবং ভারতের বিজ্ঞানীরা যুক্তিযুক্ত প্রমাণ দিয়ে জানিয়ে দিলেন যে চাঁদে জল রয়েছে।

এবং ভারতের বিজ্ঞানীদের এই আবিষ্কারটি যখন আমেরিকাসহ বিভিন্ন বড় বড় দেশের বিজ্ঞানীদের কাছে পৌঁছায় তখন তারাও এই ব্যাপারে একটু নাড়াচাড়া করে অর্থাৎ গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো বিচার বিবেচনা করে। তারপর তারাও জানিয়েছেন যে এটা একটা বিরাট আবিষ্কার। অর্থাৎ ভারতীয় বিজ্ঞানীদের বুদ্ধির প্রশংসা তারাও করেছেন। আর এই আবিস্কারের ফলে এই মুহূর্তে ভারতের স্থান মহাবিশ্বের বৈজ্ঞানিক দিক দিয়ে অনেকটা উপরে উঠে গেল।
#অগ্নিপুত্র

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.